plan cul gratuit - plan cul toulouse - voyance gratuite amour

ফের শহরে হেনস্থার শিকার মহিলা বক্সার

Spread the love

ফের শহরে হেনস্থার শিকার মহিলা বক্সার

শহরের নিরাপত্তা ফের প্রশ্নের মুখে৷ ঊষসীর পর এবার শহরে হেনস্তার শিকার মহিলা বক্সার৷ রাত নয় একেবারে দিনে দুপুরে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য৷ ফেসবুকে পোস্ট হতেই নড়েচড়ে পড়ল লালবাজার৷ গ্রেফতার তিন৷

শুক্রবার সকালে অফিসে যাওয়ার সময় হেনস্তার শিকার হন জাতীয় স্তরের বক্সার সুমন কুমারী৷ ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরে৷ প্রথমে কয়েকজন যুবক সোনাজয়ী এই বক্সারকে কটুক্তি করে৷ পরে তাঁর উপর চড়াও হয়৷ অভিযোগ, এক পুলিশ অফিসারের সামনেই পুরো ঘটনাটি ঘটে৷ এমনকি ওই পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েও পাওয়া যায়নি৷ উল্টে তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে বলেন৷

সোনাজয়ী বক্সার সুমন কুমারী তার ফেসবুকে ঘটনার কথা উল্লেখ করে ক্ষোভ উগরে দেন৷ সেকানে তিনি লেখেন,শুক্রবার সকাল ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ স্কুটি করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন৷ খিদিরপুরের মোমিনপুরের কাছে যখন পৌঁছাই তখন হঠাৎই তাঁর স্কুটির সামনে চলে আসে কয়েকজন যুবক৷ এরপর তাঁকে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে তারা৷ এমনকি তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ এবং তাঁকে হেনস্থা করা হয়৷

এই ফেসবুক পোস্টের উপরে ভিত্তি করেই নড়ে বসে লালবাজার। এক ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হ্য তিন অভিযুক্তকে। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বলা হয়েছে, “আজ মহিলা বক্সার সুমন কুমারী ফেসবুকে একটি পোস্ট করে আমাদের জানান, মোমিনপুরের কাছে কয়েকজন যুবক তাঁকে হেনস্থা করেছে। কোন অভিযোগের অপেক্ষা না করে ওই পোস্টের ভিত্তিতেই সাউথ পোর্ট থানায় মামলা রুজু করা হয় এবং ডিসি পোর্টের নেতৃত্বে সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখে পোর্ট ডিভিশনের অফিসারদের তৎপরতায় এক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তিন অভিযুক্তকে।”

ধৃত ওই তিন জন হল- রাহুল শর্মা, শেখ ফিরোজ এবং ওয়াসিম খান। অভিযুক্ত সকলেই জেরায় নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুলিশ।

চলতি মাসেই রাতের শহরে হেনস্থার শিকার হন প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া উষসী সেনগুপ্ত৷ ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ৷ ডিসি সাউথের নেতৃত্বে গঠিত হয় কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি৷ লালবাজার সূত্রে খবর,তদন্তে নেমেই যে রিপোর্ট পাওয়া যায় তার ভিত্তিতেই একজনকে সাসপেন্ড ও দু’জনকে শোকজ করা হয়েছে৷

সেই সময় যাঁরা যাঁরা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তাঁদের ভুমিকা খতিয়ে দেখেন ওই তদন্ত কমিটি। শুধু তাই নয় সিসিটিভির ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়। এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শনের যান তদন্তকারী দল৷ ঘটনার রাতে পুলিশের তরফে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা তা জানতেই গঠন করা হয়েছিল তদন্ত কমিটি।

সেদিনও উষসী তার ফেসবুকে লিখেছিলেন, ঘটনাস্থলের কাছেই ডিউটিতে ছিলেন দুই পুলিশ কর্তা। সাহায্য চাইলে তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, আমাদের কিছু করার নেই। এই বিষয়টা আমাদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না৷ তিনি বলেন, ওটা ভবানীপুর থানার ঘটনা। আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করি, আপনি চলুন, না হলে ড্রাইভারকে মেরে ফেলবে। উনি গিয়ে ওদের বলেন, ঝামেলা করছ কেন? ওরা অফিসারকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। সব কিছু মিটে যাওয়ার পর ভবানীপুর থানা থেকে দু’জন অফিসার গিয়েছিলেন।

সুত্র : kolkata24x7

আপনার মন্তব্য

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।