plan cul gratuit - plan cul toulouse - voyance gratuite amour

মমতাকে ‘এক্সপায়ারি সিএম’ বলে কটাক্ষ দিলীপের

Spread the love


মমতাকে ‘এক্সপায়ারি সিএম’ বলে কটাক্ষ দিলীপের


ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘এক্সপায়ারি পিএম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ মাস দু’য়েকের ব্যবধান৷ এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর কথা টেনেই সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তৃণমূল নেত্রীকে ‘এক্সপায়ারি সিএম’ বললেন মেদিনীপুরের সাংসদ৷

প্রচার তখন মধ্য গগনে৷ ৪২-এ ৪২-এর ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷ এদিকে বাংলা জয়ের লক্ষ্যে বিভোর মোদী-শাহ জুটি৷ ঘনঘন আসছেন রাজ্যে প্রচার সভা করতে৷ তুলে ধরছেন কেন্দ্রীয় সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঙ্গবাসীর বঞ্চিত হওয়ার কারণ৷ তখনই বাংলার ‘দিদি’কে স্পিড ব্রেকার বলে সরব হন প্রধানমন্ত্রী৷

পালটা মোদীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীও৷ স্পিড ব্রেকারের বদলা ‘এক্সপায়ারি পিএম’ বলে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিরোধী শক্তি জোটের ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে তখন আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় তৃণমূলের সর্বময়ী কর্ত্রী৷ কিন্তু, দেশজুড়ে ভোট বাক্সে জয় পেয়েছে বিজেপি৷ বাংলাতেও তার রেশ৷ ২ থেকে বেড়ে গেরুয়া ব্রিগেডের আসন পৌঁছেছে ১৮তে৷ রাজ্যের ২০টি লোকসভায় দ্বিতীয় স্থানে তারা৷ তাতেই ২১ জয়ের আত্মবিশ্বাস বিজেপি শিবিরে৷

লোকসভার সঙ্গেই রাজ্যের আটটি বিধানসভাতে হয়েছে উপনির্বাচন৷ সেখানেও চারটিতে জয় বিজেপির৷ তৃণমূলের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে পদ্ম শিবির৷ রবিবার হাওড়ার শরৎ সদনে মধ্য হাওড়া বিধানসভার কর্মী সম্মেলনে বিজেপির এই সাফল্যের কথা তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষ৷ সেখানেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের সাসক দলের বিরোধীতায় সরব হন৷


রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘‘এখন বোমা, বন্দুক, গুলি প্রকাশ্যেই চলছে। সরকারের প্রশাসনের উপরে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যারা দুষ্কৃতকারী তাদের উপরেও সরকারের বা পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যেভাবে মৃত্যু রোজ ঘটছে তাতে এই প্রশাসন কতদিন টিকবে তা সন্দেহের।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘প্রথম মোদী সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল৷ কিন্তু তাতেও মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন এক্সপায়ারি প্রধানমন্ত্রী৷ বাংলায় ভোটের ফল তো বলছে মানুষের ওনার উপর আর আস্থা নেই৷ তাই আমি বলি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘এক্সপায়ারি মুখ্যমন্ত্রী’৷’’

ভোট পরবর্তী সময় হিংসা বিধ্বস্থ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা৷ প্রাণ গিয়েছে মানুষের৷ দিলীপবাবুর অভিযোগ, ‘‘যত বোমা গুলি পড়েছে তার কতজনকে সাজা দিয়েছে সরকার? লোক দেখানো কয়েকজনকে গ্রেফতার করে জামিন দেওয়া হয়েছে।’’ তাঁর প্রস্তাব, ‘‘ভোট পরবর্তী সময়ে রাজ্যে প্রতিটা খুনের কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে তদন্ত হোক। কারণ এই রাজ্যের পুলিশ তদন্ত করবে না। সত্য উদঘাটন করবে না।’’

বাংলায় কলেবরে বেড়েছে বিজেপি৷ অস্বস্তিতে তৃণমূল৷ সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনে যখন সুর চড়ছে মুরলীধর সেন লেনের নেতাদের, তখন জনসংযোগ যাত্রা ও দলের নেতাদের ভুল ধরাতে ব্যস্ত তৃণমূল৷ ভোটের পরেও সপ্তমে রাজ্য রাজনীতি৷ তাতেই মাত্র যোগ করতে পারে দিলীপ ঘোষের ‘এক্সপায়ারি সিএম’ মন্তব্য৷


সুত্র : kolkata24x7

আপনার মন্তব্য


Spread the love