নয়াবাদের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের অবস্থা স্থিতিশীল, জানালেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ


নয়াবাদের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের অবস্থা স্থিতিশীল, জানালেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

ভেন্টিলেশনে থাকলেও অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে পূর্ব কলকাতার নয়াবাদের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের। ২৩ মার্চ থেকে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। পিয়ারলেস হাসপাতালের সুপার ডঃ সুদীপ্ত মিত্র জানান, অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২৪ ঘণ্টা আগে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।

তিনি বলেন ”আশঙ্কাজনক হলেও নতুন করে তাঁর অবস্থার আর অবনতি হয়নি। ওষুধে সাড়া দিচ্ছেন ওই ব্যক্তি।” এক আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে গত ১২ মার্চ পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা গিয়েছিলেন ৬৬ বছরের ওই প্রৌঢ়। সেখানে ১৪ মার্চ বউভাতের দিন তাঁর সামান্য জ্বর হয় বলে জানিয়েছিলেন ওই ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এক চিকিত্‍সক। কিন্তু প্যারাসিটামল খেয়ে জ্বর কমায় ১৬ তারিখ দিঘায় যান তিনি। সেখানে ফের জ্বর বেড়ে যাওয়ায় দু’দিন পর ফিরে যান এগরাতে।


সেখানে রক্ত পরীক্ষা করা হলে তাঁর টাইফয়েড ধরা পড়েছিল বলে জানা গেছে। তারপরেই চিকিত্‍সার জন্য কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয় তাঁকে। ২৩ তারিখ পিয়ারলেস হাসপাতালে দেখাতে গেলে উপসর্গ দেখে তাঁকে আইসোলেশনে ভর্তি করে চিকিত্‍সা শুরু করেন ডাক্তাররা। লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল নাইসেডে। ২৫ তারিখ নাইসেড থেকে আসা রিপোর্টে তাঁর শরীরে করোনা সংক্রমণের কথা জানা যায়। ওই ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পরেই বিয়েবাড়ির সমস্ত নিমন্ত্রিতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ডাকে এগরার মহকুমা প্রশাসন।

এগরার ঝাঁটুলাল স্কুলে ক্যাম্প করে দু’দিন ধরে চলে স্বাস্থ্যপরীক্ষা। সেখানে আসা মোট ১৫০ জনের থার্মাল টেস্ট হয়। পরিবারের খুব ঘনিষ্ট ১৫ জনের লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে নাইসেডে। এমনকী দিঘাতে গিয়ে তিনি যাঁদের সঙ্গে মেলামেশা করেছেন স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয় এমন ১৬ জনের। তাঁদের মধ্যে ওই ব্যক্তির খুবই ঘনিষ্ঠ একজনের লালারসও নাইসেডে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। যে হোটেলে তিনি ছিলেন সেখানকার ছ’জন কর্মীকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। সিল করে দেওয়া হয়েছে হোটেলের যে ঘরটিতে তিনি ছিলেন, সেই ঘরটিও।

সুত্র: THE WALL

আপনার মন্তব্য

Recommended For You