স্বাস্থ্য

ভিটামিন ডি-র অভাবে বাড়ছে কোভিডে মৃত্যু বলছেন গবেষকেরারা !

ওয়েবডেস্ক : শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ গড়ে যতটা কম থাকে, কোভিড সংক্রমণের শঙ্কা তত বাড়ে। তার চেয়েও বেশি বাড়ে মৃত্যুর হার। বিেশষ করে এটা সত্যি ২০টি ইওরোপীয় দেশে। সমীক্ষায় জানতে পেরেছেন ব্রিটেনের অ্যাঙ্গলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। আগেই জানা গিয়েছিল, শরীরে ভিটামিন ডি কম থাকলে শ্বাসনালির তীব্র সংক্রমণ বাড়ে। স্বভাবতই কোভিড সংক্রমণও বাড়ে।

ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডাঃ লি স্মিথ জানিয়েছেন, রক্তের শ্বেতকণিকা কীভাবে সাড়া দেবে, তা নিয়ন্ত্রণ করে ভিটামিন ডি। উত্তেজক নিঃসরণের খুব বেশি উপস্থিতি থেকে শ্বেতকণিকা কোষকে রক্ষা করে ভিটামিন ডি। কোভিড-১৯ ঘটায় এর উল্টো ঘটনা। এটা শ্বেতকণিকার মধ্যে খুব বেশি মাত্রায় উত্তেজক নিঃসরণের উপস্থিতি নিশ্চিত করে।

ফলে শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব থাকলে করোনা ভাইরাসের সক্রিয়তাও বেড়ে যায়। দক্ষিণ ইওরোপের ইতালি ও স্পেনে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা খুবই বেশি। এজিং ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চের জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নিবন্ধে দেখানো হয়েছে, উত্তর ইওরোপের দেশগুলির তুলনায় ইতালি ও স্পেনের বাসিন্দাদের দেহে ভিটামিন ডি অনেক কম।

কারণ, বয়স্করা তেজি রোদ্দুর এড়িয়ে চলেন। চামড়ার পিগমেন্টের ক্ষতি হলেও শরীরে প্রাকৃতিক ভিটামিন ডি কমে যায়। আবার উত্তর ইওরোপের বাসিন্দারা কড লিভার অয়েল ও ভিটামিন ডি বেশি খান বলে তাঁদের শরীরের ভিটামিন ডি-র উপস্থিতি সর্বোচ্চ। তাই গোটা ইওরোপের মধ্যে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলিতে কোভিড সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম।

গবেষক স্মিথ বলেন, শ্বাসনালিতে যে কোনও ধরনের তীব্র সংক্রমণ ঠেকাতে পারে ভিটামিন ডি। বয়স্কদের মধ্যে ভিটামিন ডি-র অভাব সবচেয়ে বেশি। সংক্রমণের বিভিন্ন মাত্রার তীব্রতায় থাকা কোভিড রোগীদের শরীরের ভিটামিন ডি কতটা রয়েছে, এ নিয়ে আরও গবেষণা করা দরকার।

গত মাসে নিউট্রিয়েন্ট জার্নালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯ এবং শ্বাসনালির অন্যান্য রোগের হাত থেকে বাঁচতে যদি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হয়, তাহলে ভিটামিন সি এবং ডি রয়েছে, এমন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ব্যবহার করা খুবই নিরাপদ এবং সস্তাও বটে।‌‌

সুত্র: আজকাল.in

 

 

আরও পড়ুন ::

Back to top button