মালদা

বাড়ছে ভয়ের আশঙ্কা, মিললো আরও চারজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ এই জেলায় !

 

ওয়েবডেস্ক : মালদহ: বাংলাজুড়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। হু হু করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও বাড়ল আতঙ্ক। মালদহে আরও চারজনের শরীরে সংক্রমণের নমুনা মিলল। শুক্রবার রাত আটটায় যে ৯৩টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে তার মধ্যেই চারজনের রিপোর্ট পজিটিভ মেলে। যার ফলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মালদহে।

যদিও প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্যে বারবার বলা হচ্ছে। একই সঙ্গে কঠোরভাবে লকডাউন যাতে মানা হয় সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আবেদন করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, আক্রান্ত ওই চারজন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বাসিন্দা। চারজনের মধ্যে দু’জন পুরুষ ও দু’জন মহিলা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে আক্রান্ত ওই চারজনকে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে মালদহ জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে। বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে শুক্রবার রাতেই তাঁদের পুরাতন মালদহের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হতে পারে। কীভাবে তাঁদের শরীরে সংক্রমণ ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই চারজন কাদের সঙ্গে মিশে ছিলেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। পুরো এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মানিকচক ও রতুয়াকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

কিন্তু সেই জোনের বাইরে এবার করোনা সংক্রমণের খোঁজ পাওয়া গেল হরিশ্চন্দ্রপুরেও। যা যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কপালে। আর এই বিষয়টি সামনে আসতেই জেলা স্বাস্থ্য দফতর এবং প্রশাসনের তরফে ব্যাপক তত্‍পরতা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই নিয়ে মালদহে মোট সাতজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ল। যা যথেষ্ট চিন্তার।

যদিও এদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে বর্তমানে মালদহ জেলায় ৬ জন করোনা আক্রান্তের চিকিত্‍সা চলছে। এর মধ্যে প্রথম আক্রান্ত মানিকচকের পরিযায়ী শ্রমিকের চিকিত্‍সা চলছে শিলিগুড়ির কোভিড হাসপাতালে।

বাকি একজন পুরাতন মালদহের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি। বাংলার গ্রিন জোনে ছিল মালদহ। সেখানে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের। যদিও দ্রুত যাতে ফের গ্রিন জোনে ফিরে আসা যায় সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের কাছে।

সুত্র: কলকাতা24×7

আরও পড়ুন ::

Back to top button