ক্রমে বাড়ছে সংক্রমণ, ১৫ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত এই সরকারের

Advertisement

 

ওয়েবডেস্ক : দেশজুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত কয়েক দিনে সংক্রমণের গতি আরও বেশি। যে রাজ্যগুলিতে সংক্রমণ বেশি, তার সামনের সারিতে রয়েছে তামিলনাড়ু। আর তার জেরেই আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল তামিলনাড়ু সরকার।

সোমবার থেকেই বন্ধ থাকবে এই বিশেষ ট্রেন চলাচল। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ু সরকারের তরফে দক্ষিণ রেলওয়েকে এই অনুরোধ করা হয়। তারপরেই রেলের তরফে সেই অনুরোধ মেনে নেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ রেল টুইট করে জানিয়েছে, ‘তামিলনাড়ু সরকারের অনুরোধের পরে যে সাতটি বিশেষ ট্রেন এই রাজ্যে চলাচল করত তা সোমবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে। যাঁরা এই সময়ের মধ্যে ট্রেনের টিকিট বুক করেছেন, তাঁদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’

দক্ষিণ রেলের তরফে টুইট করে আরও জানানো হয়েছে, ‘চেন্নাই সেন্ট্রাল ও নয়া দিল্লির মধ্যে যে রাজধানী এক্সপ্রেস চলার কথা ছিল তা নির্দিষ্ট সময়েই চলাচল করবে। বাকি ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে যাঁরা অনলাইনে টিকিট বুক করে টাকা দিয়েছেন, তাঁদের অনলাইনেই টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে।


তাঁদের অ্যাকাউন্টে টিকিটের টাকা ঢুকে যাবে।’ একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে দক্ষিণ রেলওয়ের তরফে বলা হয়েছে, সাতটি বিশেষ ট্রেন যা তামিলনাড়ুর মধ্যে চলত, সেগুলি বন্ধ থাকছে। এই ট্রেনগুলি হল- তিরুচি-চেঙ্গালপেট- তিরুচি, মাদুরাই- ভিল্লুপুরম- মাদুরাই, কোয়েম্বাটোর- কাটপাডি- কোয়েম্বাটোর,

তিরুচি- ভিল্লুপুরম- তিরুচি, আরাক্কোনাম- কোয়েম্বাটোর- আরাক্কোনাম, কোয়েম্বাটোর- মাইলাদুথারাই- কোয়েম্বাটোর ও তিরুচি- নাগেরকইল- তিরুচি। রবিবার তামিলনাড়ুতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার। একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা সর্বাধিক। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, সোমবার, সকাল ৮টা পর্যন্ত দক্ষিণের এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৮২,২৭৫। মৃত্যু হয়েছে ১০৭৯ জনের। আক্রান্তের সংখ্যায় মহারাষ্ট্র ও দিল্লির পরেই তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এভাবে ক্রমাগত সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তায় তামিলনাড়ু সরকার।

কী ভাবে সংক্রমণ মোকাবিলা করা যায় সেই চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। আর সেই জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বাইরের রাজ্য থেকে ট্রেনে অনেকেই আসছেন, যাঁদের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ছে। তাঁদের থেকে সংক্রমণ অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এটা যাতে না হয়, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুত্র: THE WALL


Recommended For You