“বিদেশি মায়ের গর্ভে জন্মালে কেউ দেশপ্রেমী হয় না” : প্রজ্ঞা ঠাকুর


"বিদেশি মায়ের গর্ভে জন্মালে কেউ দেশপ্রেমী হয় না" : প্রজ্ঞা ঠাকুর

জন্মগত একজন বিদেশি দেশপ্রেমী হতে পারে না। নাম না করে রাহুল গান্ধিকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এই ভাষা প্রয়োগ করলেন সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর (Pragya Singh Thakur)। সম্প্রতি একাধিক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়েছে রাহুল গান্ধি-সহ কংগ্রেস। সেই আক্রমণ ভোঁতা করতে তৎপর গেরুয়া শিবির। সেই তৎপরতায় এবার গা ভাসালেন বিজেপির ভোপালের এই সাংসদ। এমনটাই গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর। তবে শুধু রাহুল গান্ধি নয়, দেশপ্রেম নিয়ে তিনি (BJP MP on patriotism) কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকেও বিঁধেছেন। এদিন চাণক্যর মন্তব্য উদ্ধৃত করে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর বলেন, “চাণক্য বলেছিলেন একমাত্র ভূমিপুত্ররা দেশকে রক্ষা করতে পারে। একজন বিদেশি মায়ের গর্ভে জন্মালে দেশপ্রেমী হতে পারে না।” স্বঘোষিত এই সাধ্বীর প্রশ্ন, “আপনার যদি দুই দেশের নাগরিকত্ব থাকে, তাহলে আপনার মধ্যে দেশপ্রেম আসবে কোথা থেকে?

নীতিহীন আর আদর্শহীন দল হিসেবেও কংগ্রেসকে তোপ দাগেন এই বিজেপি সাংসদ। তাঁর পরামর্শ, “কংগ্রেসের আত্মসমীক্ষা করা উচিত। ওরা জানে না কী ভাবে কথা বলা উচিত। ওই দল নীতিহীন-আদর্শহীন।” প্রজ্ঞা সিংয়ের মন্তব্যের বিরোধিতায় কংগ্রেস মুখপাত্র জেপি ধানোপিয়া বলেছেন, “সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্ত ছিলেন প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। এখন মনে হচ্ছে উনি মানসিক স্থিতি হারিয়েছেন। বিজেপির ওর চিকিৎসা করাক।”


রাহুল গান্ধির “আত্মসমর্পণ মোদি” টুইটের সমালোচনায় এগিয়ে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। কংগ্রেস সাংসদের সেই টুইট পাকিস্তান-চিনকে খুশি করেছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগ তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গালওয়ান সংঘাত কিংবা সংক্রমণ বৃদ্ধি। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব রাহুল গান্ধি। দুটি ক্ষেত্রেই আত্মসমর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, এই খোঁচা দিয়েছেন সনিয়া-তনয়। সোশাল মাধ্যমে সেই “হ্যাশট্যাগ আত্মসমর্পণ” খোঁচা বেশ ভাইরাল হয়েছে। এবার তাই সে অস্ত্র ভোঁতা করতে এগিয়ে এলেন মোদি মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ। এমনকী, ইন্দো-চিন সংঘাত নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি সরকার, বিরোধীদের কাছে এই বার্তা পাঠান অমিত শাহ।

তিনি বলেন, “দেশ-বিরোধী কার্যকলাপ রুখতে আমরা সমর্থ। কিন্তু কোনও দলের প্রাক্তন সভাপতি এই ধরনের কথা বললে, বেদনা হয়। এমন সংকটের মুহূর্তে এই ধরনের নীচু রাজনীতি এড়িয়ে চলাই ভালো।”

রাহুল গান্ধির নাম না করে তিনি বলেছেন, “এটা আত্মসমীক্ষার বিষয়। তিনি ও তাঁর দল যে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন, তাতে করে পাকিস্তান ও চিনের হাত শক্ত হচ্ছে। আপনি যেটা বলছেন, সেটা চিন ও পাকিস্তানের ভাষা।

সুত্র : NDTV

আপনার মন্তব্য

Recommended For You