জেনে নিন চুমু খাওয়ার ৩টি উপকারী দিক


জেনে নিন চুমু খাওয়ার ৩টি উপকারী দিক

প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসা জানান দেয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো চুমু। তবে শুধু ভালোবাসার জানান দিতেই নয়, নিজের ভালোর জন্য হলেও চুমু খাওয়া উচিত। কারণ বিজ্ঞান বলছে চুমু খেলে শুধু ভালোবাসা বাড়েই না, সেইসঙ্গে আমাদের শরীরের ভেতরে বেশকিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে। এর ফলে একাধিক শারীরিক উপকার মেলে।

একাধিক কঠিন অসুখের প্রকোপও কমে এমন ঠোঁটের স্পর্শে। তাই ভালোবাসার অভাব পূরণের পাশাপাশি নিজেকে সুস্থ রাখতে চুমু খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জেনে নিন-

ভালো রাখে মন: ২০০৩ সালে একদল জাপানী বিজ্ঞানীদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে চুমু খাওয়া মাত্র আমাদের শরীরে অক্সিটোসিন, ডোপামিন এবং সেরোটিনিন নামক বেশকিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। যে কারণে কর্টিজল নামক স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব এতটাই কমে যায় যায় স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি এবং দুশ্চিন্তা কমে হু হু করে। তাই শুধু ভালোবাসার খাতিরে নয়, শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখতেও কিন্তু চুমু খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

[ আরও পড়ুন : দশকের পর দশক করোনাভাইরাস বয়ে বেড়াচ্ছে বাদুড় ]

জেনে নিন চুমু খাওয়ার ৩টি উপকারী দিক


উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে: উচ্চ রক্তচাপ থেকে শারীরিক নানা অসুবিধা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকার জন্য রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। আর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চুমুর বিকল্প নেই বললেই চলে। মূলত লিপলক হওয়া মাত্র সারা শরীরে রক্তের প্রবাহে উন্নতি ঘটে। ফলে ব্লাড প্রেসার কমতে সময় লাগে না। তাই একথা বলা যেতেই পারে যে চুমু সত্যি সত্যিই হার্টকে চাঙ্গা করে তোলে। কারণ হার্টের রোগের পিছনে রক্তচাপের ভূমিকা কম নয়।

[ আরও পড়ুন : ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তানের ১৭০টি ট্যাংক গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত! ]

জেনে নিন চুমু খাওয়ার ৩টি উপকারী দিক

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: ২০১৪ সালে হওয়া একটা স্টাডিতে দেখা গেছে চুমু খাওয়ার সময় এক শরীর থেকে আরেক শরীরে উপকারী জীবাণুদের প্রবেশ ঘটে। আর এই সব জীবাণুরা শরীরে প্রবেশ করার পর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে খুব তাড়াতাড়ি। ফলে সব রকম রোগ-বালাই দূরে থাকে। তাই দূষণ এবং নানাবিধ রোগের আক্রমণের মাঝে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে চাইলে নিয়মিত ভালোবাসার মানুষটিকে চুমু খান।জেনে নিন চুমু খাওয়ার ৩টি উপকারী দিক

Recommended For You