ঝাড়গ্রাম

‘স্বৈরাচারী শাসকের’ বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বাম-কংগ্রেস যৌথ মঞ্চের


'স্বৈরাচারী শাসকের' বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বাম-কংগ্রেস যৌথ মঞ্চের

স্বপ্নীল মজুমদার, ঝাড়গ্রাম: সাংবাদিক বৈঠক ডেকে নজিরবিহীন ভাবে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন বাম-কংগ্রেস যৌথ মঞ্চের নেতারা। প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তাদের ‘স্বৈরাচারী’ বিশেষণ দিয়ে কটাক্ষও করা হল। এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলার জন্য সর্বদল বৈঠক ডাকার দাবি করলেন ঝাড়গ্রাম জেলা বাম ও কংগ্রেস যৌথ মঞ্চের নেতৃত্ব।

বুধবার ঝাড়গ্রামের সিপিএম জেলা পার্টি অফিসে আয়োজিত এক সংবাদিক বৈঠকে সিপিএমের জেলা সম্পাদক পুলিনবিহারী বাস্কে ও কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, করোনা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আর সেই ব্যর্থতার জন্য এলাকাবাসীর বিক্ষোভ হচ্ছে।

[ আরও পড়ুন :  শীর্ষ আদালত না চাইলে চুপচাপ পদ থেকে সরে যাব: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ]

বিক্ষোভ থামাতে পুলিশ দিয়ে দমনমূলক নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় জনরোষ তীব্র হচ্ছে। পুলিনবাবু ও সুব্রতবাবুর অভিযোগ, গত এপ্রিল থেকে লাগাতার প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরে বাম ও কংগ্রেস যৌথ মঞ্চের তরফে স্মারকলিপি দিয়ে করোনা মোকাবিলার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ করার দাবি করেছিলেন তাঁরা।


কিন্তু জেলাকে করোনাহীন সবুজ দেখানোর জন্য ক্রমাগত তথ্য চেপে যাওয়া হয়েছে। তার পরিণতিতেই আজ আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বাড়ছে। পুলিনবাবু বলেন, ‘‘করোনার পরীক্ষা অনেক দেরিতে জেলায় শুরু হয়েছে। তাও বেশি সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে না।’’ সুব্রতবাবু হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, স্বৈরচারী প্রশাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমে আইন ভেঙেই আন্দোলন হবে।

[ আরও পড়ুন : চেন্নাইয়ের আর্তজনের মুখে খাবার তুলে দিল ঝাড়গ্রামের স্কুলপড়ুয়া তৃষা সিনহা ]

তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যম মারফত জেনেছি বেলপাহাড়িতে মাওবাদী পোস্টার পড়েছে। মানুষের ক্ষোভকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা হলে তা অন্য পথে প্রকাশিত হয়। তাই মানুষের স্বার্থে আমরা একযোগে আন্দোলনে নামতে চলেছি। এ জন্য প্রশাসনই আমাদের বাধ্য করেছে।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button