কলকাতা

কলকাতাতে আক্রান্তের সংক্যা ৪১ হাজারেরও বেশি, সুস্থ ৩৫,৩৩৪ জন

করোনা আবহে শহরে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৪১ হাজারের বেশি। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৫ হাজারের বেশি। যার ফলে কমেছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা।

বুধবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু কলকাতায় একদিনে আক্রান্ত ৩৯৩ জন। মোট ৪১ হাজার ছাড়াল শহরে আক্রান্তের সংখ্যা। তথ্য অনুযায়ী,৪১ হাজার ১০১ জন।

তবে নতুন আক্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন শহরে। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬১৭ জন। এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৫ হাজার ৩৩৪ জন। এই মূহুর্তে শুধু কলকাতায় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ৫ হাজারের নিচে।

শেষ তথ্য অনুযায়ী, ৪ হাজার ৪৪৯ জন। আগের দিনের থেকে ২৪১ কম।

গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। সোমবার ছিল ১১ জনে। রবিবার ছিল ১৯ জন। সব মিলিয়ে কলকাতাতেই এই পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১,৩১৮ জন। এদিনের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের।

মঙ্গলবার ছিল ৫৫ জন। তুলনামূলক ভাবে একদিনে ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা। তবে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে ৩ হাজার ৩৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন : আগামী এক দশকে পরমাণু অস্ত্র দ্বিগুণ করবে চীন: পেন্টাগন

যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৭ জন। উত্তর ২৪ পরগনার ৬ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৫ জন। হাওড়া ১১ জন। হুগলি ২ জন। পশ্চিম বর্ধমান ১ জন। পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন। পশ্চিম মেদিনীপুর ২ জন। বাকুড়া ১ জন।

বীরভূম ১ জন। নদিয়া ১ জন। মুর্শিদাবাদ ২ জন। আলিপুরদুয়ার ৪ জন। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৭৬ জন। মঙ্গলবার ছিল ২,৯৪৩ জনে। সব মিলিয়ে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯৭ জন।

এদিনও নতুন আক্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৯৭ জন। মঙ্গলবার ছিল ৩,৩৪৬ জন।

ফলে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৯১৩ জন। তার ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩.৫৩ শতাংশ। মঙ্গলবার ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ। প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার।

রাজ্যে ফের কমল অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজারের নিচে নেমে এল। তথ্য অনুযায়ী, ২৪ হাজার ৪৪৫ জন। যা মঙ্গলবারের তুলনায় ৩৭৭ জন কম।

 

সুত্র: কলকাতা24×7

আরও পড়ুন ::

Back to top button