ঝাড়গ্রাম

সরকারি বুলেটিনে করোনায় মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য তোলার দাবি চিকিৎসকদের

সরকারি বুলেটিনে করোনায় মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য তোলার দাবি চিকিৎসকদের

স্বপ্নীল মজুমদার, ঝাড়গ্রাম: করোনার তথ্য আপডেট না হলে মৃতের আত্মীয়রা সরকারি ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তদন্তে আসা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের দুই আধিকারিকের কাছে এমনই আশঙ্কার কথা জানালেন ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের একাংশ চিকিৎসক।

সোমবার হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের স্পেশাল একজিকিউট ডা. অসীম দাস মালাকার ও রাজ্যের করোনা হাসপাতাল সমূহের বিশেষ পরিদর্শক ডা. কৌশিক চাকী। করোনায় মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার ঝাড়গ্রাম হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়।

এক রোগীর মৃত্যু করোনায় হয়েছে কি-না সেই রিপোর্ট দেখতে চেয়ে রোগীর আত্মীয় ও স্থানীয় কিছু বাসিন্দা পথ অবরোধ করেন। মৃতের পরিবারের এক মহিলা সদস্য বিনা প্ররোচনায় জেলা হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অর্ণাশিস হোতাকে চড় মারেন বলে অভিযোগ। এরপরেই ধর্নায় বসেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আরও পড়ুুন: এবার জেরা করা হতে পারে সারা-শ্রদ্ধাকে

সোমবারের মধ্যে স্বাস্থ্য দপ্তর হস্তক্ষেপ না করলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। চিকিৎসক অর্ণাশিস হোতাকে নিগ্রহের ঘটনায় মূল মহিলা অভিযুক্ত অবশ্য অধরা। তবে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতে তুলেছিল পুলিশ। তিনজনেই জেল হেফাজতে রয়েছে।

সোমবার রাজ্যের দুই স্বাস্থ্য আধিকারিক হাসপাতাল সুপারের ঘরে আলোচনা করার সময়ে বাইরে বিক্ষোভ দেখান চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীরা। পরে তাঁদের অভিযোদ শোনের অসীমবাবু ও কৌশিকবাবু। চিকিৎসকেরা জানান, একের পর এক করোনায় মৃত্যু হলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে সেই তথ্য আপলোড করা হচ্ছে না।

এর ফলে যাঁদের নাম তোলা হচ্ছে না তাঁদের পরিবার মহামারীতে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের দুই প্রতিনিধি সমস্যা মেটাতে আশ্বাস দেন। চিকিৎসকদের অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন। কৌশিকবাবু করোনা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ফিরে গিয়ে বিভাগীয় রিপোর্ট দেবেন বলে তাঁরা জানান।

 

আরও পড়ুন ::

Back to top button