ঝাড়গ্রাম

মহুল ব্যান্ডের পুজোর গানে ত্রিনয়নীর আবাহন


মহুল ব্যান্ডের পুজোর গানে ত্রিনয়নীর আবাহন

স্বপ্নীল মজুমদার, ঝাড়গ্রাম:পুজোর গানের সুদিন ফিরিয়ে আনল ‘মহুল ব্যান্ড’! মহালয়ায় বিভিন্ন ডিজিট্যাল মিউজিক প্লাটফর্মে রিলিজ হয়েছে মহুলের পুজোর গান–‘এসো মা ত্রিনয়নী’। গানটির ভিডিয়ো রিলিজ হয়েছে ইউটিউবে।

গানটি লিখেছেন ঝাড়গ্রাম শহরের ঘোড়াধরার বাসিন্দা পেশায় স্কুলশিক্ষক পূর্ণেন্দু দে সরকার। জীবনে এই প্রথমবার গান লিখেছেন পূর্ণেন্দু। সেই গানে সুর করেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী পার্থ ভৌমিক। গানটির মূল গায়কও পার্থ। সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন মহুল ব্যান্ডের আর এক জনপ্রিয় শিল্পী সোনাই সেন এবং নবাগতা কয়েকজন শিল্পী।

সঙ্গীত আয়োজন ও ডাবিং-মিক্সিং করেছেন সোহম ভৌমিক। গানের ভিডিয়োর দৃশ্যগ্রহণ করা হয়েছে বৌবাজারের ধর বাড়ির জগন্নাথ মন্দিরের দালানে এবং মকুন্দপুরে। এ ছাড়া ভিডিয়োতে বহরমপুরে গঙ্গার ধারে, জলপাইগুড়িতে তিস্তা নদীর পাড়ে ও বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও এলাকার কিছু দৃশ্য রয়েছে।

আরও পড়ুুন: রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,২৮১ জন

মহুলের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সেই ভিডিয়ো তুলে পাঠিয়েছেন। গানে পার্থের সঙ্গে কন্ঠদান করেছেন বহরমপুরের ঈশিতা দত্ত, জলপাইগুড়ির অদৃজা বনিক, বারুইপুরের স্নেহা হালদার ও বাংলাদেশের দীপশ্রী রায়। লকডাউন পর্বে সমাজমাধ্যমে মহুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে আগ্রহী হন তাঁরা।

এই চারকন্যাও ভার্চুয়ালি জুড়ে গিয়েছেন মহুল পরিবারের সঙ্গে। তাঁরা অবশ্য গানটির বিভিন্ন অংশ রেকর্ড করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ডাবিং ও মিক্সিং করে মূল গানের সঙ্গে তাঁদের অংশগুলি জোড়া হয়েছে। গানের ভিডিয়োতেও গঙ্গাপাড়, তিস্তাপাড় ও পদ্মাপাড়ের চারকন্যাকেও দেখা যাবে।

ভিডিয়োতে দুর্গার ভূমিকায় দেখা যাবে কলকাতার সৌমিলি হালদারকে। গানটির ভিডিয়োগ্রাফি করেছেন সৌস্তভ দাস ও দীপরঞ্জন ঘোষ। শ্রোতাদের বক্তব্য, ‘মহুল ব্যান্ডে’র মুখ্যগায়ক ও কর্ণধার পার্থ ভৌমিকের দৌলতে ফের বাংলা গানের সুদিন ফিরেছে। তাঁদের গানে খুঁজে পাওয়া যায় বাংলার চিরন্তন মাটির সুর।

আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় কৃষি বিলের সমর্থনে বিজেপির জনসভায় জনজোয়ার

বাংলা গানের জগতে সুপরিচিত নাম মহুল ব্যান্ড ও সংস্থার কৃতী শিল্পীরা। করোনা আবহে মন ভাল করার মতো পুজোর গান নিয়ে হাজির হয়েছে ‘মহুল ব্যান্ড’। পার্থ ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র। তবে দীর্ঘদিন সপরিবারে কলকাতাবাসী। দেশ-বিদেশের বাঙালি শ্রোতাদের কাছে পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে ‘মহুল’।

জঙ্গলমহলের একটি গাছের নামে পার্থদের গানের দল। তাই কোনও না কোনও ভাবে তাঁদের গানের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় রাঢ় বাংলার মাটির সুর।

 

আরও পড়ুন ::

Back to top button