ঝাড়গ্রাম

শ্রেয়া ও রিয়ার ‘স্পিল দ‍্য বিনস্’ ক্যাফেতে মজেছে অরণ্যশহর

স্বপ্নীল মজুমদার


শ্রেয়া আচার্য ও রিয়া বেরা

ঝাড়গ্রাম: কে বলেছে বাঙালি মেয়েরা বাণিজ্যে সফল নয়? বরং ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’ কথাটা মাত্র দিন কয়েকের মধ্যে প্রমাণ করে দিয়েছেন ঝাড়গ্রাম শহরের শ্রেয়া আচার্য ও রিয়া বেরা। শহরের পণ্যবীথি লেনে ‘স্পিল দ‍্য বিনস্’ ক্যাফের সুস্বাদু ভ্যানিলা চা কিংবা হট চকোলেটে মজেছেন অরণ্য শহরের ভোজন বিলাসীরা।


পাপিয়া প্রতিহার, শ্রেয়া আচার্য, শুভশ্রী পাল

হরেক রকম চা ও কফির পাশাপাশি, শ্রেয়ার ক্যাফেতে মিলছে নানা ধরনের নরম পানীয়, প্যাটিস, পিজা, বার্গার। খোলামেলা রুফ টপে কিংবা একতলায় নিভৃত টেবিলে বসে রসনার তৃপ্তির সঙ্গে লাইভ সঙ্গীতানুষ্ঠান, এই ক্যাফের বাড়তি পাওনা। আপনি গান জানেন? তাহলে নিজেও গিটার তুলে নিয়ে ক্যাফের পরিবেশকে প্রিয়জনের সামনে আরও সুরেলা করে তুলতে পারেন।

আরও পড়ুন: নবমীতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রাজ্যে, মৃতের সংখ্যা ৬০

ক্যাফের দুই কর্ত্রী শ্রেয়া ও রিয়া দুজনেই গুণী তরুণী। রুচিবোধের ছাপ স্পষ্ট তাঁদের ক্যাফের আনাচে-কানাচেতে। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় ক্যাফের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন ঝাড়গ্রামের বিভাগীয় বনাধিকারিক বাসবরাজ এস হলাইচ্চি। সব পানীয় ও খাবার নিজে হাতে তৈরি করেন শ্রেয়া ও রিয়া।

পুজোর দিনগুলিতে শ্রেয়ার ক্যাফেতে তিল ধারণের জায়গা নেই। করোনা-কালে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবশ্য সেখানে বসে খাবার খাওয়ার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।


খাওয়ার পরে ক্রেতাদের ফিডব্যাক নেওয়া হচ্ছে। শ্রেয়া বলেন, “খাবার ও চা-কফির গুনমাণ সম্পর্কে ক্রেতাদের লিখিত মতামতটা খুবই জরুরি।

আরও পড়ুন: ‘‌একুশে হারলে বাংলা ছাড়তে হতে পারে’: অনুপম হাজরা

কারণ আমরাই ঝাড়গ্রামে এই প্রথম ক্যাফে চালু করেছি। গ্রিন টি, ফ্লোরাল টি, চকোলেট টি, গ্রিন কফি, ক্যাপুচিনো এর আগে শহরে পাওয়া যেত না।” ক্যাফের ভাবনা, অন্দরসজ্জা ও অঙ্কনসজ্জার বেশিরভাগ কাজ করেছেন শ্রেয়ার দুই বান্ধবী শুভশ্রী পাল ও পাপিয়া প্রতিহার।

 


Related Articles

Back to top button