বলিউড

একের পর এক ফ্লপ হয়েও বিশ্ব তারকা হয়ে উঠেছিলেন ইরফান

রাজস্থানের ১৯৬৭ সালের আজকের এই দিনে জন্ম নেন প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খান। দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে যিনি শুধু ভারত নয়, পুরো পৃথিবীতেই ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তার জনপ্রিয়তা।

১৯৮৮ সাল থেকে বহু পরিশ্রম আর উত্থান-পতনের পর হেঁটেছেন তিনি তারকাখ্যাতির লাল গালিচায়। করেছেন হিন্দি, ইংরেজি, তামিল, বাংলাসহ নানা ভাষার ৫০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয়।

ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে পাস করার পর টেলিভিশন সিরিয়াল দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ইরফান। সেই সময় শুধু টেলিভিশন নয় সিনেমাতেও ডাক পাওয়া শুরু করেন তিনি। তবে শুরুতে কোথাও সুবিধা করতে পারেননি।

একের পর এক ক্যারিয়ারের সঙ্গে ফ্লপ তকমা যুক্ত হতে থাকে ইরফানের। কিন্তু এরপরই সিনেমাটিক মোড় আসে তার জীবনে। ব্রিটিশ ফিল্ম ডিরেক্টর আসিফ কাপাডিয়া তাকে তার ‘দ্য ওয়ারিয়র’ সিনেমার জন্য প্রধান চরিত্রে মনোনীত করেন।

সিনেমাটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করে রাতারাতি পুরো ভারতজুড়ে পরিচিত মুখ হয়ে যান ইরফান। এরপর বেশ কিছু কালজয়ী সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন।

আরও পড়ুন: স্বামীর কথায় নেহা কক্করের চোখে জল!

ভারতীয় চলচ্চিত্রে বাইরে তিনি বেশ কয়টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। তারমধ্যে রয়েছে ‘দ্য ওয়ারিয়র’ (২০০১), ‘দ্য নেমসেক’ (২০০৬), ‘দ্য দার্জিলিং লিমিটেড’, অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র স্লামডগ মিলিয়নিয়ার (২০০৮), ‘নিউ ইয়র্ক’, ‘আই লাভ ইউ’ (২০০৯), ‘দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান’ (২০১২), ‘লাইফ অব পাই’ (২০১২), ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’ (২০১৫) ও ‘ইনফার্নো’ (২০১৬)।

গুণী এই অভিনেতা অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সিনেমাতেও। ২০১৭ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সেখানে তার অভিনয় মুগ্ধ করেছে বাঙালি দর্শককে।

গত বছর ১৯ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন তিনি। দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তার মৃত্যুতে হলিউড, বলিউডসহ বিশ্বের নানা দেশের খ্যাতিমান তারকারা শোক প্রকাশ করেছিলেন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button