ঝাড়গ্রাম

বিজেপির তৈরি মাঠে ফাঁক-ফোকর মেরামত করবেন শুভেন্দু

স্বপ্নীল মজুমদার

ঝাড়গ্রাম: বিজেপি মাঠ তৈরি করে রেখেছে। তিনি এসেছেন ফাঁক ফোকর মেরামত করতে। বুধবার ঝাড়গ্রামে দলীয় জনসভায় এমনই দাবি করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিকেলে ঝাড়গ্রাম শহরের সার্কাস মাঠে বিজেপি মহাযোগদান মেলার মূল বক্তা ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন প্রথমে বলতে ওঠেন শুভেন্দু। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে তৃণমূল কোম্পানির চেয়ারম্যান ও তোলাবাজ ভাইপো বলে এদিনও কটাক্ষ করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘চোরের দল তৃণমূলকে ২১এ সাফ করতে হবে। তবে এখানে দিলীপদা, সুখময়বাবু (জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথী) মাঠ তৈরি করে রেখেছেন। চারটি আসনেই বিজেপি জিতবে। আমি এসেছি। আপনাদের জন্য কাজ করব। সকালে আসব, রুটি সবজি খাইয়ে দেবেন, সারাদিন এলাকায় ঘুরে সামান্য যেটুকু ফাঁকফোকর আছে মেরামত করব।’’ তৃণমূলে সম্মান পাননি জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওখানে লাম্পপোস্ট ছিলাম।

আরও পড়ুন : জঙ্গলমহল উৎসব মঞ্চে বন্ধুর অনুরোধে একই গান দু’বার গাইলেন অংশুমানপুত্র ভাস্কর রায়

কর্মচারী হয়ে থাকতে চাইনি, সহকর্মীর মর্যাদা চেয়েছিলাম। সেই কারণে জাতীয়তাবাদী সবচেয়ে বড় দল বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।’’ এদিন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতোর নাম না করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘বিচ্ছিন্নতাবাদী লোকগুলোকে একদম সুযোগ দেবেন না। দশ বছর জেল খেটে মানুষকে মিছিলে হাঁটিয়ে অত্যাচার করে এখন তৃণমূলের মুখ হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ বিজেপিই জিতেছিল বলে দাবি করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘পুলিশ দিয়ে রাতের বেলা ব্যালট চুরি করে তৃণমূল জেলা পরিষদ জিতেছিল। অথচ ওই জেলা পরিষদ পদ্মফুলই জিতেছিল।’’

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গত লোকসভা ভোটে মানুষ স্বাভাবিক ভোট দিতে পেরেছিলেন বলে তৃণমূল হাফ হয়েছে। আগামী বিধানসভায় তৃণমূল সাফ হয়ে যাবে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে কোয়ার্টার ফাইনাল, লোকসভা ভোটে সেমি ফাইনাল হয়েছে। আগামী বিধানসভা ভোটে ফাইনাল, তৃণমূল সাফ হয়ে যাবে।’’ দিলীপ বলেন, ‘‘এমন ভাবে তৃণমূলকে হারাতে হবে, যাতে ওদের নেতারা আর জঙ্গলমহলে ঢোকার সাহস না পায়। এদিন রাম মন্দিরের জন্য সাহায্য চেয়ে দিলীপ বলেন, ‘‘রাম মন্দির হচ্ছে। আমার কাছে কাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা এসেছিলেন।

আরও পড়ুন : দুঃস্থদের শীত কাটাতে বিরাট-ভক্তদের সেবার ঊষ্ণ পরশ

আমি গরিব মানুষ জীবনে পয়সা রোজগার করিনি। তাও ৫১ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছি। আপনারা সবাই দশ টাকা হলেও চাঁদা দেবেন। যাতে রাম মন্দির হয়। রাম মন্দির শুধু মন্দির নয়। মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম হলেন ভারতের আদর্শ।’’ এদিন পঞ্চায়েতস্তরের তৃণমূলের কিছু লোকজন বিজেপিতে যোগ দেন। যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন শহর তৃণমূলের আইটি সেলের প্রাক্তনী জয় মাহাতো। এদিন বিজেপির সভায় প্রচুর লোকজন এসেছিলেন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button