ঝাড়গ্রাম

ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে স্বামীজির তিথি-পুজো

স্বপ্নীল মজুমদার



ঝাড়গ্রাম: স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৯ তম তিথি পুজো উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দিনভর ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে বিশেষ পূজা-পাঠ ও প্রসাদ বিতরণ হল।

এদিন আশ্রমের মন্দিরে সকাল সাড়ে পাঁচটায় মঙ্গলারতির পরে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ করেন সন্ন্যাসী মহারাজরা। পরিবেশিত হয় ভজন। স্বামীজির জন্মতিথি উপলক্ষে সকাল সাড়ে সাতটায় বিশেষ পুজো শুরু হয়। বিশেষ পুজো করার জন্য সারদাপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন থেকে এসেছিলেন স্বামী ভক্তিময়ানন্দজি মহারাজ ও ব্রহ্মচারী রূপক মহারাজ। বিশেষ পুজো দর্শনের জন্য এসেছিলেন মঠ-মিশনের আশ্রিত ও বহু ভক্তজন। পুষ্পাঞ্জলি ও হোমের পরে ভোগ নিবেদন করে ভোগারতি হয়।

আরও পড়ুন : পেট্রোপন্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাওড়ায় বাম ও কংগ্রেসের যৌথ মিছিল

এরপরে স্বামীজির জীবন ও আদর্শ এবং মানবসেবার তাঁর শিক্ষনীয় ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী বেদপুরুষানন্দজি মহারাজ। এদিন পুরো কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে রূপায়ণে নীরবে সক্রিয়ভাবে ছিলেন ঝাড়গ্রাম মিশনের স্বামী অলোকেশানন্দজি মহারাজ, স্বামী ব্রহ্মেশ্বরানন্দজি মহারাজ, শিক্ষাব্রতী অমৃতকুমার নন্দী, বিবেকানন্দ মহামণ্ডলের স্বেচ্ছাসেবকরা। মিশন পরিচালিত একলব্য স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও উপস্থিত ছিলেন। এদিন আশ্রম চত্বরে সামিয়ানা খাটিয়ে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফল-প্রসাদ ও খিচুড়ি-প্রসাদ বসে খাওয়ানোর ব্যবস্থা ছিল। কয়েকশো ভক্ত এদিন প্রসাদ পেয়েছেন।

গত বছর জুলাই মাসে রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের ঝাড়গ্রাম শাখার নতুন সম্পাদকের দায়িত্ব আসেন স্বামী বেদপুরুষানন্দজি মহারাজ।

২০১৬ সালে সরকারি ঝাড়গ্রাম একলব্য স্কুলের দায়িত্ব রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিশনের হাতে পরিচালনভার যাওয়ার পরে ঝাড়গ্রাম একলব্য এখন রাজ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্কুল। একলব্য স্কুলের পাশে মিশনের ঝাড়গ্রাম শাখা তৈরির জন্য পাঁচ একর জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই জমিতে তৈরি হয়েছে উপাসনা গৃহ। সেখানে শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা ও স্বামীজির নিত্যপুজো ও আরতি হয়।



Related Articles

Back to top button