কলকাতা

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টুম্পা সোনা’ গানের তালে নাচ, বরখাস্ত পাঁচজন (ভিডিও)


কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টুম্পা সোনা’ গানের তালে নাচ, বরখাস্ত পাঁচজন (ভিডিও) - West Bengal News 24


কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টুম্পা সোনা’ গানের সঙ্গে নাচানাচি করায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পাঁচ সদস্যকে দুই বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য নষ্ট ছাড়াও একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া পাঁচজনের মধ্যে কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র এবং টিএমসিপির নেতাও রয়েছেন। সরস্বতী পূজায় কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে ডিজে বাজিয়ে ‘টুম্পা সোনা’ গানের তালে নাচের ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সেই ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রতিবেদনে সরস্বতী পূজা আয়োজক পাঁচজনের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আগামী দুই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ক্যাম্পাসে ওই পাঁচজন ঢুকতে পারবে না।’

বরখাস্তকৃতরা হলেন মণিশংকর মণ্ডল, রাজা মাণ্ডি, দেবর্ষি রায়, তীর্থপ্রতীম সাহা এবং রনি ঘোষ। মণিশংকর মণ্ডল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন নেতা এবং বর্তমানে সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

আরও পড়ুন : ৮০-৯০টা মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে নাসির : সাবেক প্রেমিকা

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চিঠি পাওয়ার পর শাস্তি পাওয়া টিএমসিপি নেতারা হাইকোর্টে মানহানির মামলার হুমকি দিয়েছেন। মণিশংকর বলেন, ‘কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পূজা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন কেউ কেউ। আসলে পূজা বন্ধ করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির হাতে হাতিয়ার তুলে দিতে চাইছেন তারা।’ তাদের দাবি, সরস্বতী পূজার অনুমতি চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। উপাচার্য সাফ জানিয়েছেন, পূজা করার জন্য কোন সংগঠন বা শিক্ষার্থীদের অনুমতি দেওয়া হয়নি।


করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বন্ধ। বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে থাকবেন এবং সেখান থেকেই করোনা ছড়াতে পারে বলে কয়েকদিন আগে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন উপাচার্যরা। তাদের সুপারিশেই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখেছে রাজ্য সরকার। তারপরও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাসে সরস্বতী পূজা করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। নিয়ম ভেঙে মাস্ক ছাড়াই ক্যাম্পাসে জড়ো হয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েয়ে, চটুল গানে উদ্দাম নৃত্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে তারা।


Related Articles

Back to top button