ঝাড়গ্রাম

শিশু উদ্যান গড়ে নজির পঞ্চায়েতের, উদ্বোধন হল ভোট ঘোষণার আগেই

স্বপ্নীল মজুমদার


শিশু উদ্যান গড়ে নজির পঞ্চায়েতের, উদ্বোধন হল ভোট ঘোষণার আগেই - West Bengal News 24


মানিকপাড়া: পঞ্চায়েতের মাধ্যমেও যে বড় প্রকল্প রূপায়ণ করা যায় সেটা প্রমাণ করে দেখাল ঝাড়গ্রাম ব্লকের মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। প্রায় সাড়ে নয় লক্ষ টাকা খরচ করে একটি শিশু উদ্যান তৈরি করা হয়েছে মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আমডিহা গ্রাম সংসদ এলাকায়। নাম দেওয়া হয়েছে ‘আমডিহা মানসী শিশু উদ্যান’। শুক্রবার ভোট ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগে ওই উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েষা রানি।

একশো গ্যাস বেলুন উড়িয়ে এবং মূল প্রবেশ পথের ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে জেলাশাসক বলেন, “খুব ভালো কাজ করেছে মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। আগামী দিনে এখানে ইকো ট্যুরিজমের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে জেলা প্রশাসন।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ঝাড়গ্রামের বিডিও অভীজ্ঞা চক্রবর্তী, পঞ্চায়েত স্বশক্তি করণের জেলা সঞ্চালিকা সোমা মুখোপাধ্যায়, মানিকপাড়ার উপ প্রধান মহাশিস মাহাতো প্রমুখ।

আরও পড়ুন : কাকে সুবিধে দিতে ৮ দফা ভোট?’ হারিয়ে ভূত করে দেবো : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিন শিশু উদ্যানের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। গত বছর ১৩ জানুয়ারি এই শিশু উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন জেলাশাসক। লকডাউনের কারণে বেশ কিছু দিন কাজ থমকে ছিল। দৃষ্টি নন্দন উদ্যানে শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলার ও বিনোদনের সামগ্রী বসানো হয়েছে। হয়েছে রাজস্থানি পাথরের ফোয়ারা। শিশু উদ্যানে রঙ বাহারি ফুলের বাগান করা হয়েছে।

শিশু উদ্যান গড়ে নজির পঞ্চায়েতের, উদ্বোধন হল ভোট ঘোষণার আগেই - West Bengal News 24

উপ প্রধান মহাশিস মাহাতো জানালেন, শুধু ঢালাই রাস্তা, কালভার্ট, নিকাশি নালার মধ্যে উন্নয়নকে তাঁরা সীমাবদ্ধ রাখেননি। আমডিহা গ্রাম সংসদের সভায় এলাকাবাসী শিশুদের উদ্যান তৈরির জন্য সহমত হন। তার ভিত্তিতেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এলাকার শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়ক উদ্যান তৈরি করে উন্নয়নের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ।


মহাশিস বলেন, “আমডিহা গ্রাম সংসদ এলাকার মানুষের মনোজাতা। অর্থাৎ মানুষের মনে, ভাবনায় বা চিন্তনে শিশুদের জন্য এই ধরনের বিকল্প উন্নয়ন ভাবনাকে মর্যাদা দিতে উদ্যানটির ‘আমডিহা মানসী’ নাম দেওয়া হয়েছে।” মহাশিস জানালেন, চতুর্দশ অর্থ কমিশন ও একশো দিনের প্রকল্প বাবদ সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা খরচ করে শিশু উদ্যানটি তৈরি হয়েছে। জেলায় এই প্রথম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এত বড় প্রকল্প রূপায়ণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে উদ্যানের ফুলের বাগানটি তৈরি করেছেন।

 


Related Articles

Back to top button