ঝাড়গ্রাম

শহিদ-স্মারকে মালা দিয়ে প্রচার শুরু সুখময়ের

স্বপ্নীল মজুমদার


লালগড়: লালগড়ের নেতাই গ্রামের শহিদবেদিতে মালা দিয়ে প্রচার শুরু করলেন ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপথী (Sukhamoy Satpathy)। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দু’দিন লালগড়ের বিভিন্ন এলাকায় নাগাড়ে প্রচার করেন সুখময়। তাঁর সমর্থনে বৃহস্পতিবার ঢাক বাজিয়ে লালগড়ে মিছিল করেন বিজেপি কর্মীরা। বুধবার সকালে নেতাই গ্রামে পৌঁছন সুখময়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষায় ছিলেন বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তন্ময় রায়।

গত বছর লালগড় ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে তন্ময়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দুর সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তন্ময়। নেতাই শহিদবেদিতে সুখময় মালা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন নেতাই শহিদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির সভাপতি দ্বারকানাথ পণ্ডা। দ্বারকানাথ অবশ্য বলেন, ‘‘শহিদ বেদিতে মালা দেওয়ার অধিকার দলমত নির্বিশেষে সকলেরই রয়েছে। বিরবাহা হাঁসদা (তৃণমূল প্রার্থী) এসে মালা দেওয়ার জন্য আমাকে ডাকলেও যাব। আমাদের শহিদ স্মৃতিরক্ষা কমিটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। তন্ময় বার বার ফোন করে ডাকায় আমি গিয়েছিলাম।’’

আরও পড়ুন : হুইলচেয়ারে প্রচার করব: হাসপাতাল থেকে হুঙ্কার মমতার

এদিন নেতাই থেকে প্রথমে ছোটপেলিয়া গ্রামে ২০০৮ সালে লালগড় আন্দোলন পর্বে পুলিশি নিগ্রহে বাঁ চোখের দৃষ্টি হারানো ছিতামণি মুর্মুর বাড়িতে এবং পরে নাড়চ্যা গ্রামে ২০১০ সালে পুলিশের ‘এনকাউন্টার’-এ নিহত লালমোহন টুডুর বাড়িতে যান সুখময়। ছিতামণির স্বামী গোরাচাঁদ মুর্মু ও লালমোহনের স্ত্রী লক্ষ্মীমণি ও তাঁর বড় ছেলে লিয়েন্ডারকে সুখময় জানান, বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। গোরাচাঁদের দুই ছেলের চাকরি হয়নি। লালমোহনের বড় ছেলে লিয়েন্ডারও চাকরি পাননি বলে সেখানে অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মীরা। সুখময় আশ্বাস দেন, তিনি বিধায়ক হলে অবশ্যই উপযুক্ত পদক্ষেপ করবেন।

পরে রামগড়ে মা মৌজির থানে পুজো দিয়ে সেখানে বাড়ি-বাড়ি প্রচারও করেন সুখময়। বৃহস্পতিবার লালগড় ব্লক সদরে ঢাক বাজিয়ে সুখময়কে নিয়ে ভোটের প্রচার মিছিল করেন বিজেপি কর্মীরা। এদিন প্রচার শুরুর আগে লালগড়ের বুড়া বাবার থানে ও বজরঙ্গবলী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন সুখময়। বিনপুরে পথসভাও করেন তিনি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button