জাতীয়

ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপালকে ফোন প্রধানমন্ত্রীর


নবান্ন দখল হয়নি, ২০০ তো দূর ১০০-এর ভিতরেই আটকে গিয়েছে বিজেপির আসন সংখ্যা। তৃতীয়বারের জন্য ফের ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। আর তারপরেই রবিবার রাত থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা ও খুনের অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গতকালই এই বিষয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয় বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল। তারপরেই রাজ্য পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দেশ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। গতকালই রাজ্যের সার্বিক অশান্ত পরিবেশ নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও পুলিশ কমিশনারকে তলব করেন রাজ্যপাল। রাজভবনে দীর্ঘ আলোচনার পর নিজের চিন্তার কথা ব্যক্ত করেন রাজ্যপাল।

আজ আবার তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনলাপ হল, তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফলের পরবর্তী হিংসা নিয়ে খুবই চিন্তিত। আমি তাঁকে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি জানিয়েছি। উনি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বলে জানিয়েছেন আমাকে। অবিলম্বে অবস্থার দ্রুত উন্নতির আবেদন জানাচ্ছি।’ বিজেপির তরফে জানানো হয় ভোটের রেজাল্ট আউট হওয়ার পর গত দু’দিন ধরে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় মোট ছয় জনকে হত্যা করেছে তৃণমূলের গুণ্ডারা। এছাড়াও একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের দোকান জ্বালিয়ে দেওয়ার মত ঘটনাও ঘটেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি আজ জানিয়েছেন, ‘এখন রাজ্যের ক্ষমতা রাজ্যপালের হাতে। তিনি চাইলেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিতে পারেন। আগে রাজ্যের পরিস্থিতি ঠিক করা দরকার।’

বিজেপি কর্মীদের খুন ও হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতায় এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। আজই সোনারপুর সহ একাধিক জায়গায় নিহত বিজেপি কর্মীদের বাড়ি যাওয়ার কথা তার। এছাড়াও রাজ্যে বিজেপির ফল এত খারাপের কারণ বিশ্লেষণ করবেন তিনি। আগামীকাল অর্থাত্‍ ৫ মে বুধবার তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের সময় দেশজুড়ে বিজেপি কর্মীদের তৃণমূলের গুণ্ডাদের আক্রমণের প্রতিবাদে ধর্নায় বসবেন বলে জানা গিয়েছে।

সুত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button