ঝাড়গ্রাম

২৫ শে বৈশাখে মুক্তির আকাশ দেখার প্রার্থনা

স্বপ্নীল মজুমদার

ঝাড়গ্রাম: ‘জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে’। অতিমারীর আবহেও আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর জন্মজয়ন্তীর দিনটি ভার্চুয়ালি পালন করে করোনা সচেতনাতার বার্তা দিল ঝাড়গ্রাম রানি বিনোদমঞ্জরী রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

রবিবার সরকারি এই স্কুলের প্রাতঃ বিভাগ ও দিবা বিভাগের ছাত্রীদের আয়োজনে ভার্চুয়ালি ২৫শে বৈশাখ পালনের অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছিল স্কুলের কয়েকশো ছাত্রী। ছাত্রী ও শিক্ষিকারা যে যার বাড়ি থেকে গানে, কবিতায়, কথিকায় স্মরণ করলেন বিশ্বকবিকে। স্কুলের হোয়াটস্অ্যাপ গ্রুপে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে ভার্চুয়ালি মালা দিলেন প্রধানশিক্ষিকা পুষ্পলতা মুখোপাধ্যায়। প্রধানশিক্ষিকা বলেন, ‘‘বাঙালির জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে জড়িয়ে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। জীবন-মরণের সীমানা ছাড়িয়ে তিনি তো আমাদের সব সময়ের সঙ্গী।

মনের বন্ধু। তিনি শুধু কবি, সাহিত্যিক নন, দার্শনিক, বিজ্ঞান-চেতনায় সমৃদ্ধ আলোর দিশারী। রবীন্দ্রনাথ মন ভাল রাখার ওষুধও।’’ এদিন সমাজ মাধ্যমের গ্রুপে ছাত্রীরা ছবি এঁকে পোস্ট করে। রবীন্দ্রনৃত্য, আবৃত্তি, রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশিত হয় সমাজ মাধ্যমের গ্রুপে। এই অনুষ্ঠান সর্বাঙ্গসুন্দর করার জন্য অভিভাবক ও সহ শিক্ষিকাদেরও ধন্যবাদ জানান প্রধানশিক্ষিকা।

করোনা আবহে কী-কী করণীয় সেটাও পড়ুয়াদের জানানো হয়। ছাত্রীরা ভার্চুয়ালি শ্রুতি নাটক ‘অমল ও দইওয়ালা’ পরিবেশন করে। অমলের মতো এখন পড়ুয়ারাও করোনা আবহে ঘরবন্দি। মুক্তির আকাশ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে সকলেই। এদিন তেমন প্রার্থনার কথাই উঠে এল কবিগুরুর জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানে।

এদিন সকালে ঝাড়গ্রাম জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরে রবীন্দ্র প্রতিকৃতিতে মালা দেন জেলার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় মালাকার এবং জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক সঞ্জয় চক্রবর্তী। কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়নি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button