জাতীয়

বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ডেকে ২৫ জন মিলে ধর্ষণ তরুণীকে

বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ডেকে ২৫ জন মিলে ধর্ষণ তরুণীকে - West Bengal News 24

আলাপ ফেসবুকে, তারপর বন্ধুত্ব। একসময় আসে বিয়ের প্রস্তাব। তারপর আরও এক ধাপ এগিয়ে ছেলেটি বাড়ির লোকেদের সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য তরুণীকে ডাকে। তারপরেই বেরিয়ে আসে আসল চরিত্র। ওই যুবক-সহ ২৫ জন বন্ধু মিলে তরুণীকে অপহরণ করে বনে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। হরিয়ানার পালওয়ালের ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ মে। নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ জনের বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত সাগর ছাড়া আর কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নির্যাতিতা তরুণীর কথায়, ফেসবুকে আলাপ হয়েছিল রামগড়ের বাসিন্দা সাগরের সঙ্গে। সারাদিন ধরে শুধু তার সঙ্গেই ম্যাসেঞ্জারে কথা বলতেন তিনি। কখনও কোনও সন্দেহ হয়নি। এভাবেই বন্ধুত্ব গাঢ় হতে থাকে। একসময় সাগর তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবও দেয়। তাতে হ্যাঁ না বললেও অমত ছিল না তরুণীর। এরপর গত ৩ মে তরুণীকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য হোডালে ডাকে। সেইমতো তরুণীও যান সেখানে। কিন্তু বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সাগর তাকে রামগড় গ্রামের পাশে একটি বনের ভেতর নিয়ে যায়।

যেখানে আগে থেকেই সাগরের দুই ভাই সমুদ্র ও আকাশ-সহ বন্ধুরা অপেক্ষা করছিল। এরপর বনের মধ্যেই তরুণীকে একের পর একজন ধর্ষণ করে। সারারাত ধরে চলে এই কুকীর্তি। তাতেও সাধ না মেটায় সকালেও ফের ৬-৭ জন মিলে ধর্ষণ করে তরুণীকে। এরপর সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে তরুণীকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় বদরপুর সীমান্তে। সেখানেই তরুণীকে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

জ্ঞান ফিরলে প্রথমে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না তরুণী। পরে মনের সাহসে কোনওরকমে যোগাযোগ করেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। একটানা ৯ দিন বিছানাতেই শুয়েছিলেন তিনি। ১২ মে শরীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলে স্থানীয় হাসনপুর থানায় গিয়ে ২৫ জন অভিযুক্তের নামে এফআইআর করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ।

মূল অভিযুক্ত সাগরকে তার বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকিরা এখনও পলাতক। এই প্রথম নয়, গো-বলয়ে হামেশাই ধর্ষণের ঘটনা উঠে আসে সংবাদমাধ্যমে। এদিকে মহিলা সুরক্ষা নিয়ে কেন্দ্র সরকার বড় বড় দাবি করে চলে। এমনকী, হরিয়ানারও প্রতি জেলায় মহিলা থানা খোলার বিষয়ে কাজ চলছে। তারপরেও মহিলাদের প্রতি জঘন্য অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। পালওয়ালের ঘটনা তারই বড় উদাহরণ।

সূত্র : এই মহুর্তে

মন্তব্য করুন ..

আরও পড়ুন ::

Back to top button