পূর্ব মেদিনীপুর

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক! পুকুর থেকে উদ্ধার ২৭ বছরের যুবকের নলি কাটা দেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

পুকুর থেকে উদ্ধার হয় ২৭ বছরের এক যুবকের নুলি কাটা দেহ। জানা গিয়েছে ওই যুবক নাম তপন বেরা, স্থানীয় মাধবপুর গ্রামের বাড়ি। উদ্ধারের পরই ক্রমশ দানা বাঁধতে থাকে মৃত্যুর কারণ রহস্য। নন্দকুমার থানার পুলিশ শুরু করে তদন্ত।

তবে সম্ভবত এই মৃত্যু রহস্যের কারণ রীতিমতো জাল গোটাতে দোষীদের ধরার জন্য। তবে মৃত তপন মৃত্যুর পরেই পরিবারে আবারও এক অঘটন ঘটল গতকাল।

ছেলে তপনের মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে তার মা তারপরই তাকে নন্দকুমার হসপিটালে ভর্তি করা হয় পরে তমলুকে তাকে ভর্তি করলে গতকাল রাত ১২ টার সময় তার মৃত্যু হয় মা কল্পনা বেরার।

নন্দকুমার থানার মাধবপুর গ্রাম এখন একপ্রকার শোকের ছায়া নেমেছে। তবে তদন্তে নেমে নন্দকুমার থানার পুলিশ প্রাথমিকভাবে মৃত্যুরহস্য ক্ষেত্রে পারিবারিক যোগাযোগ রয়েছে বলে মনে করছে। আর তাই এই ব্যাপারে চাচাতো বোন বউ শাশুড়ি এবং ব্যবসায়ী যোগসাজশে বলে প্রাথমিক অনুমান এবং সে ক্ষেত্রে তার শাশুড়ির সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।

আর সেই কারণে আজ মৃত তপন বেরার স্ত্রী ও এক ব্যবসায়ী রাম মাইতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে নন্দকুমার থানার পুলিশ।

তবে এই মৃত্যুরহস্য উৎঘাটন করতে নেমে চাঞ্চল্যকর মোড় নিচ্ছে বলে মনে করছে এলাকাবাসীরা। তবে এলাকাবাসীদের প্রাথমিক অনুমান শ্বাসরোধ করে খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলার নলি কেটে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তেও এমনটাই উঠে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর ছেলের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মা, গতকাল রাতে তমলুক হাসপাতালে মারা যান তিনি।

আর এই ঘটনাতেও রীতিমতো শোকের ছায়া এলাকায়। কিন্তু কি কারনে খুন হতে হলো, তপন বেরাকে? পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছে, তপন যে অনলাইন লটারি দোকানে কাজ করতেন তার মালিকের সংগে তপনের শাশুড়ির বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আর তা নিয়ে প্রতিবাদ করতো তপন।

এই নিয়ে গ্রামে একবার শালিশি সভাও বসেছিল। এমনকি তপন শ্বশুরবাড়িতে গেলে তাকেও মারধর করা হতো বলে অভিযোগ। পুলিশ ওই অনলাইন লটারি খেলার দোকানের মালিক রাম মাইতি ও তপনের স্ত্রীকে আটক করে জিঙ্গাসাবাদ শুরু করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন ::

Back to top button