রাজ্য

মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি

গত শুক্রবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন মুকুল রায়। কিন্তু খাতায় কলমে এখনও তিনি কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপির টিকিটে জেতা বিধায়ক। তাই সেদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দেন, ‘আমি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, স্পিকার যতই নিজের দলের লোক হোক না কেন, কীভাবে দলত্যাগ আইনে বিধায়ক পদ খারিজ করতে হয় জানা আছে আমার।’

আর সেই কথামতোই আজ বিকেলে রাজ্যপালের কাছে হাজির হবেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির প্রায় সমস্ত বিধায়কদের নিয়ে আজ রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে যাচ্ছেন শুভেন্দু।

সূত্রের খবর, মুকুল রায়কে চাপে রাখতেই এই কৌশল গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুকুলের বিজেপি ছাড়ার ব্যাপারতা কার্যত ক্ষোভ বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরে। তাই তাই দলত্যাগ বিরোধী আইনের ভয় দেখিয়ে রাজ্যপালের কাছে যাচ্ছেন শুভেন্দুরা। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়ে রাজ্যপালের কিছুই করার নেই, কারণ সাংসদ হোক বা বিধায়ক দলত্যাগ বিরোধী আইনে সিলমোহর দেবেন স্পিকার।

যে কারণেই সাংসদ সুনীল মণ্ডল ও শিশির অধিকারীর আসন নিয়ে দ্বন্দ চলছে। স্পিকারের সম্মতি না পেলে তখন আদালতের রাস্তা খোলা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, মুকুল রায় এমনিতেই বিধায়ক পদ ছাড়বেন। কারণ প্রশাসনিক পদের থেকে দলের সাংগাঠনিক পদে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি।

কিন্তু তবুও রাজ্যপালের কাছে আজ হাজির হচ্ছেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, এরই সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কাছে বিরোধী দলনেতা আর্জি জানাবেন, মুকুল রায়ের কার্যকলাপ নিয়ে। তৃণমূলে গিয়েই বিজেপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের যেভাবে ফোন ঘোরাচ্ছেন তা নিয়েও নালিশ জানাবেন জগদীপ ধনকড়কে।

সূত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button