রাজনীতিরাজ্য

‘বঙ্গভঙ্গে’র নামে কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

‘বঙ্গভঙ্গে’র নামে কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর - West Bengal News 24

২০১১ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে এসেছে, ‘পাহাড় হাসছে, জঙ্গলমহল হাসছে’। আর আজ সেই পাহাড় আর জঙ্গলমহলকেই পৃথক রাজ্যের দাবি তুলেছেন বিজেপি সাংসদরা। যে মতামতকে সমর্থন করেনি রাজ্য বিজেপিও। এরপরেও বঙ্গভঙ্গের নামে যদি কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চেষ্টা করা হয়, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে তত্‍ক্ষণাত্‍।

সূত্রের খবর, বুধবার নবান্নের রিভিউ বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের এমন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলা সহায়ক কেন্দ্র গুলিকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিজেপি সাংসদ জন বার্লা পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি তুলতেই সাহস পেয়েছেন সৌমিত্র খাঁ। বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ আবার পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্যের দাবি তোলেন। যদিও তাদের মতামতকে দল সমর্থন করেনা বলেই জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু তার পরেও থেমে নেই জল্পনা।

গত মঙ্গলবার ‘বঙ্গভঙ্গের’ সুরে সুর ছড়িয়েছেন উত্তরবঙ্গের আরও দুই বিজেপি বিধায়ক। তাদের মধ্যে একজন আবার তৃণমূল থেকে যাওয়া শিখা চট্টোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বড়সড় বিশৃঙ্খলা বাধাতে পারে বিজেপি। তা আঁচ করেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্নের বৈঠকে উত্তরের জেলাগুলির জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলা ভাগের নামে কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাশ্ত করা যাবে না বলেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমন কিছু দেখলে তত্‍ক্ষণাত্‍ কড়া ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।

পাহাড় আর জঙ্গলমহল দক্ষিণবঙ্গের চেয়ে অনেকটা দূরে। বিজেপির একাংশের অভিযোগ, আর সে কারণেই নবান্নের সমস্ত সুযোগ সুবিধা গিয়ে পৌঁছয় না। যদিও তা মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আওতায় উত্তরবঙ্গ জঙ্গলমহলের বাসিন্দারাও কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলার বাসিন্দাদের মতোই সরকারি সুবিধার ফায়দা তুলেছেন।

সূত্রের খবর, এদিন বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জেলাশাসকদের বাংলা সহায়ক কেন্দ্রগুলিকে আরও সক্রিয় গড়ে তোলার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। অঞ্চলভিত্তিক এলাকায় একটি করে বাংলা সহায়ক কেন্দ্র তৈরি করতে বলেছেন তিনি। প্রান্তিক এলাকার একটা মানুষও যাতে সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button