মালদা

মালদার বৈষ্ণবনগরের শোভাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলি, গুলিবিদ্ধ ২ চোরা কারবারি

মালদার বৈষ্ণবনগরের শোভাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলি, গুলিবিদ্ধ ২ চোরা কারবারি - West Bengal News 24

বুধ সকালে উত্তরবঙ্গের দুই পৃথক পৃথক ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো প্রশাসনিক মহলে। একটি ঘটনা ঘটেছে মালদা জেলার শোভাপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়, অন্যটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গাঁ এলাকায়। প্রথম ঘটনাটি বিএসএফের গুলি চালানোর ঘটনা, দ্বিতীয়টি একজন চিনা মহিলার আটক হওয়ার ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বিএসএফের গুলি চালনার ঘটনায় ২জন পাচারকারী জখম হয়েছেন। দ্বিতীয় ঘটনাটির ক্ষেত্রে ওই চিনা মহিলাকে আটক করা হয়েছে।

মালদা জেলার শোভাপুরে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে রাতের আঁধারে প্রায়ই চোরাচালানের কারবার হয়। বুধবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ওই এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ফেনসিডিল পাচার করা হচ্ছিল। সেই সময় পাচারকারীদের বাধা দেয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কর্তব্যরত জওয়ানরা।

বিএসএফের অভিযোগ, পাচারকারীদের বাধা দিলে কর্তব্যরত জাওয়ানদের ওপর হামলা চালায় চোরাকারবারীরা। পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিএসএফ জওয়ানরাও। দুই রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে এদিন বিএসএফ দাবি করেছে। তবে তাঁরা এটাও জানিয়েছে, কেউ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কিনা তা তাঁদের জানা নেই। যদিও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলি চালনার ঘটনায় ২জন গুলি বিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের ইংরেজবাজার শহরে এনে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন তাঁরা সেখানেই চিকিত্‍সাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

অন্যদিকে জয়গাঁর ঘটনায় আটক হওয়া চিনা মহিলাকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ভারত থেকে ভূটানে ঢোকার মুখে এসএসবি জওয়ানদের হাতে আটক হন। যদিও তাঁর কাছে বৈধ কাগজপত্র ছিল। ওয়াই লি নামে ৫৮ বছরের ওই চিনা মহিলার কাছে বৈধ কাগজপত্র থাকলেও শেষ হয়ে গিয়েছিল তাঁর ভিসার মেয়াদ। মূলত লকডাউনের জন্য তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। হংকংয়ের বাসিন্দা ওয়াই লি গত ২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে আসেন।

সেখান থেকে তিনি যান বারাণসীর এক তিব্বতি মনস্ট্রিতে। এরপরই দেশে লকডাউন শুরু হয়ে যায়। ফলে তিনি আর দেশে ফিরে পারেননি। এদিকে ফুরিয়ে যায় তার ভিসার মেয়াদ। গত ২০ জুন বারাণসী থেকে রাজধানী এক্সপ্রেসে শিলিগুড়ি আসেন লি। ছিলেন শিলিগুড়ির মিত্তল হোটেলে। বুধবার জয়গাঁ সীমান্ত দিয়ে ভুটানে প্রবেশের চেষ্টা করেন তিনি।

তখনই তাকে আটকায় এসএসবি। এদিন তাঁকে পাঠানো হয়েছে শিলিগুড়ির ফরেন রিলিজিয়ন রেজিস্ট্রেশান অফিসে। সেখানেই তাঁর ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে। তবে লির ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ভারতে থেকে যাওয়ার জন্য তাঁকে জরিমানাও করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কোনও কারনে তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তাঁকে দিল্লিতে ফেরত পাঠানোও হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button