ঝাড়গ্রাম

সাঁওতালি সাহিত্যিককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান

স্বপ্নীল মজুমদার

ঝাড়গ্রাম: অ্যাকাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাঁওতালি সাহিত্যিক খেরওয়াল সরেনকে ভার্চুয়ালি সম্মান জানানোর পরে তাঁর হাতে মানপত্র ও সাম্মানিক তুলে দিলেন ঝাড়গ্রাম সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

৩০ জুন বুধবার করোনা আবহে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ভার্চুয়ালি ‘হুল দিবস’ পালন করা হয়। ‘আদিবাসী’ নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ওই দিন সন্ধ্যায় ভার্চুয়ালি আলোচনাসভায় যোগ দেন উপাচার্য অমিয়কুমার পান্ডা, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাঁওতালি বিভাগের প্রধান তথা অধ্যাপক শ্যামচরণ হেমব্রম, সাহিত্যিক খেরওয়াল সরেন, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর আদিবাসী স্টাডিজ অ্যান্ড মিউজিয়ামের অধিকর্তা অধ্যাপক সুমহান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম রাজ মহিলা কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক দফতরে উপাচার্যের ঘরে গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক খগেন্দ্রনাথ মাহাতোর উপস্থিতিতে খেরওয়ালবাবুকে সম্মানিত করা হয়। তাঁর হাতে মানপত্র ও সাম্মানিক তুলে দেন বিধায়ক, উপাচার্য, অধ্যাপক শ্যামচরণ হেমব্রম ও গবেষক শচীন মান্ডি। উপাচার্য অমিয়কুমার পান্ডা বলেন, ‘‘করোনা আবহের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে প্রথম বর্ষ হুল দিবস ভার্চুয়ালি পালন করা হল। বুধবার ভার্চুয়ালি খেরওয়ালবাবুকে সম্মান জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার তিনি সশরীরে সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। এদিন বিধায়ক আসায় আমরা খুবই আনন্দিত।’’
চলতি শিক্ষাবর্ষে অস্থায়ী ভাবে ঝাড়গ্রাম রাজ মহিলা কলেজের ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দফতর চালু হয়েছে। আপাতত সেখানেই স্নাতকোত্তর বিভাগের পঠনপাঠন চালু হওয়ার কথা। ঝাড়গ্রাম শহর থেকে দশ কিলোমিটার দূরে জিতুশোল এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় ভবন তৈরির কাজ চলেছে পুরোদমে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন তৈরির কাজ শেষ হতে বছর গড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

‘আদিবাসী’ সংগঠনের সম্পাদক মনোজ মুর্মু বলেন, ‘‘জেলার নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হুলদিবস পালনের অনুষ্ঠানে জুড়ে থাকতে পেরে আমরাও খুবই উৎসাহিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র করার জন্য আমরা উপাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’’ উপাচার্য জানাচ্ছেন, আদিবাসী সংগঠনের আবেদনের বিষয়টি উচ্চশিক্ষা দফতরকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button