কলকাতা

সেন্ট্রাল এভিনিউতে বিজেপির মিছিল আটকাল পুলিশ

ভ্যাকসিন-কাণ্ড নিয়ে বিজেপির কলকাতা পুরভবন অভিযানকে অনেক আগেই আটকে দিল পুলিশ। শেষ মুহূর্তে মিছিলের রুট বদল করেও পুরভবনের ত্রিসীমানায় পৌঁছতে পারেনি মিছিল। আচমকা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ দিয়ে বিজেপির একটি মিছিল পুরভবনের দিকে এগনোর সময় পুলিশ আটকে দেয়। সেখানে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়।

মিছিলকারীরা রাস্তায় শুয়ে পড়ে। সেখান থেকে শ-খানেক মিছিলকারীকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘জোর করে পুলিশ তাঁদের শান্তিপূর্ণ মিছিল আটকে দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য মহামারী আইন শুধু বিজেপির বিরুদ্ধেই কার্যকর করা হচ্ছে। তৃণমূলের মিটিং, মিছিলে পুলিশ বাধা দেয় না।’

বিজেপির অভিযোগ, চাঁদনিচক মেট্রো স্টেশনের সামনে পুলিশ তাদের উপর বলপ্রয়োগ করে। তাতে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তির পর মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ দিয়ে যান চলাচল শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য এই অভিযানের কোন অনুমতি ছিল না।

করোনা পরিস্থিতিতে এই ধরনের অভিযানের অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বিনা অনুমতিতে অভিযান হচ্ছিল। সেই কারণেই পুলিশ মিছিল আটকে দিয়েছে। বিজেপির পুর-ভবন অভি়যান ভেস্তে দিতে এদিন বিপুল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বিজেপি রাজ্য নেতৃ্ত্বের তরফে বলা হয়েছিল, সুবোধ মল্লিক স্কয়্যার থেকে মিছিল করে এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে পুর-ভবনের দিকে যাবে মিছিল।

কিন্তু দেখা যায়, একটি মিছিল গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ ধরে এগিয়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে এগতে থাকে। সেখানে দফায় দফায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। সেখানেই অভিযানকারীদের সামনে ভাষণ দেন দিলীপ ঘোষরা। অভিযানে ছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল, দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা প্রমুখ।

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতেও বিশাল পুলিশবাহিনী এদিন মোতায়েন করা ছিল। ছিল ব্যারিকেড। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এগনোর চেষ্টা করলে ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করে বলেন, জোর করে পুলিশ আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক উপায়ে।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button