টলিউড

‘কখনও ভাবিনি তোমাকে ছেড়ে বাকি জীবনটা কাটাতে হবে’, কার জন্য আবেগঘন পোস্ট কাঞ্চনের?

ব্যক্তিগত জীবন, দাম্পত্যকলহ নিয়ে দিন কয়েক আগেই খবররে শিরোনামে ছিলেন কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick)। কাদা ছোঁড়াছুড়িরও অন্ত নেই। জল গড়িয়েছে থানা-পুলিশ অবধি! নেটমাধ্যমেও তুমুল সমালোচনা-বিতর্কের সম্মুখীন অভিনেতা-বিধায়ক। তার রেশ এখনও কাটেনি। তার মাঝেই ইনস্টাগ্রামে কাঞ্চনের পোস্ট, ‘কখনো ভাবিনি তোমাকে ছেড়ে বাকি জীবনটা কাটাতে হবে।

তোমাকে ছেড়ে বেঁচে থাকার লড়াই কি জিনিস সেটা ভোগ করছি।’ মানসিকভাবে কি মুষড়ে পড়েছেন অভিনেতা-বিধায়ক? প্রশ্ন ছুঁড়েছেন কৌতূহলী নেটজনতার একাংশ।

পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দাম্পত্যকলহ প্রকাশ্যে আসার পর যে কাঞ্চন মল্লিক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, তা জানিয়েছিলেন। সমালোচনা-কটাক্ষের মাঝেই স্বর্গীয় বাবার উদ্দেশে পোস্ট করেছিলেন। এবার মায়ের পয়লা মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর সঙ্গে ছবি করলেন অভিনেতা। স্বর্গীয় মায়ের সান্নিধ্য খুঁজছেন অসহায় কাঞ্চন। পোস্টে সেই ইঙ্গিতই মিলল।

মাতৃবিয়োগের পরদিনই শ্যুটিং সেটে হাজির হয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। গতবছর লকডাউনের মাঝেই ৫ জুলাই মাকে হারিয়েছেন অভিনেতা। আজ তার এক বছর পূর্ণ হল। সেই প্রেক্ষিতেই মাকে জড়িয়ে ধরা অতীতের একটি ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত শেয়ার করে কাঞ্চন মল্লিক লিখেছেন, ‘এক বছর হয়ে গেল মায়ের আঁচল, মায়ের কোল এবং মায়ের কাঁধে মাথা রেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস হারিয়ে ফেললাম।

কখনও ভাবিনি যে তোমাকে ছেড়ে বাকি জীবনটা কাটাতে হবে এবং আজকে দেখতে দেখতে ১টা বছর কেটে গেল। তোমাকে ছেড়ে বেঁচে থাকার লড়াই কী জিনিস সেটা ভোগ করছি! যেখানেই থেকো মা ভাল থেকো। তোমাকে খুব মিস করছি।’

 

View this post on Instagram

 

A post shared by KanchanMullick (@kanchanthinksreaal)


অভিনয়ের প্রতি ভালবাসা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং দর্শকদের প্রতি দায়বদ্ধতার খাতিরেই মাকে হারানোর চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শ্যুটিং করতে গিয়েছিলেন কাঞ্চন। মেক-আপ রুমে বসে দাড়ি কাটার আগে স্বর্গীয় মায়ের উদ্দেশে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন। ব্যক্তিগত শোক ভুলেও দর্শকদের মনোরঞ্জনের বিষয়টি অভিনেতার কাছে যেভাবে গুরুত্ব পেয়েছিল সেই সময়ে, তার জন্য ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই কাঞ্চনকে বাহবা জানিয়েছিলেন।

আজ তাঁর মাতৃবিয়োগের একবছর পূর্ণ হল। সেই প্রেক্ষিতেই আবেগঘন পোস্ট অভিনেতা তথা তৃণমূলের তারকা বিধায়কের।

সুত্র : দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আরও পড়ুন ::

Back to top button