রাজনীতিরাজ্য

ঘোষণা করেও পদ ছাড়লেন না সৌমিত্র

একদিকে রাজ্য বাজেট, অন্য দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ। তার মধ্যেই বুধবার দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কিন্তু রাতেই তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত বদলে ফেললেন।

সৌমিত্র জানিয়েছেন, তিনি যুব মোর্চার সভাপতি থাকছেন। পদত্যাগ করছেন না। কেন এই মত পরিবর্তন? সৌমিত্রর বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেখে তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ ফোন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁরা দুজনেই সৌমিত্রকে সভাপতি পদ না ছাড়ার জন্য বুঝিয়েছেন। তারপর সিদ্ধান্ত বদল করেছেন তিনি।

বিষ্ণুপুরের সাংসদ এও বলেছেন, তিনি লিখিত ভাবে পদত্যাগ পত্র দলে জমা দেননি। শুধু ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন মাত্র। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ফেসবুকে পোস্ট করে পদত্যাগ হয় না। তার নিয়ম আছে। শুধু তো ফেসবুকে পদত্যাগের কথাই লেখেননি সৌমিত্র। লাইভ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন।

বলেছিলেন, ‘বিরোধী দলনেতা দিল্লিতে গিয়ে নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন। তিনি নিজে আগে আয়নায় মুখ দেখুন’। শুভেন্দুর নাম মুখে না এনে সৌমিত্র বলেন, ভোটের দেড় মাস আগে এসে বড় নেতা হয়ে গেছেন। দলের স্বার্থ ছেড়ে নিজের স্বার্থের কথা ভেবে দল চালাচ্ছেন।

ভোটের আগে ১২৮ জনকে উনি বিজেপিতে এনেছিলেন। তাদের অধিকাংশই চোর চিটিংবাজ। পৃথক একটি লাইভে দিলীপ ঘোষের সমালোচনাও শোনা গিয়েছিল। এমনিতে সৌমিত্রর আলটপকা কথা নিয়ে বিজেপির মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে। তা গতকাল ফের নতুন করে চাগার দিয়েছে। যদিও অমিত শাহের ফোন সৌমিত্রর কাছে এসেছিল কি না তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button