টলিউড

স্বামীর চিন্তায় হতাশ ঋতুপর্ণা

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গেলো ২২ জুন সিঙ্গাপুর থেকে মুম্বাই ফিরেছেন তিনি। করোনার প্রকোপের মধ্যেই চলতি মাসের ৩ তারিখ সিনেমার কাজে যোগ দিয়েছেন। এদিকে বাসায় তার শাশুড়ি অসুস্থ। পুরো পরিবারে চিন্তার ছাপ। এমন পরিস্থিতিতে ঋতুপর্ণার স্বামী সঞ্জয় সিঙ্গাপুর থেকে আসতে পারছেন না। ফলে কিছুটা হতাশ নায়িকা।

ঋতুপর্ণা বলেন, শাশুড়ি মা কয়েক দিন আগে পড়ে গিয়ে কাঁধে আঘাত পেয়েছেন। এই বয়সে তাকে অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ধকলে শরীর ভাল নেই। পরিবারে দুশ্চিন্তার ছায়া। সঞ্জয়ের পক্ষে এখন আসা অসম্ভব। এত কড়াকড়ি বিধিনিষেধ সিঙ্গাপুরে! এত বাধা চারদিকে! ভাবলেই হতাশ হয় মন। কিন্তু যে পরিস্থিতিই হোক, জীবন নিয়ে এগিয়ে চলতেই হবে। জীবন থেমে থাকবে না। এটাই নিয়ম। তাই হাল ছাড়লে চলবে না। হাসপাতালের ডাক্তারদের সহযোগিতা ও চেষ্টায় শাশুড়ি-মা ভাল হয়ে উঠছেন দেখে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম।

শাশুড়িকে দেখে নিজের মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান ঋতুপর্ণা। সেই অনুভূতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মায়ের সঙ্গে কয়েক মাস পর দেখা হওয়ার অনুভূতি এতটাই সুন্দর যে কী বলব! মনে হল মাকে যেন আবার নতুন করে দেখলাম। ফোনে মা বলত, “তোদের সঙ্গে কি আর কোনও দিন দেখা হবে আমার?”

সত্যি, অতিমারি যে কবে পুরোপুরি কাটবে! কত দিন পরে মায়ের পাশে শুয়ে থাকলাম। সুখ-দুঃখের গল্প করলাম। টুকিটাকি অনুযোগ শুনলাম। মায়ের মনের কথা, রাগ, দুঃখ, অভিমান ভাগ করে নিলাম। অনেক দিন পর মা আমাকে পেল। আমিও মাকে। যদিও ঝটিকা সফর, তবুও মায়ের মন কিছুটা হলেও শান্তি পেল তো!

তিনি আরও বলেন, মায়ের পাশ থেকে উঠতেই ইচ্ছে করছিল না। কিন্তু আর সময় নেই। ফিরতে হবে মুম্বাইয়ে ‘ইত্তর’ ছবির কাজে। ঝড়-বৃষ্টিতে ফ্লাইট পাঁচ ঘণ্টা লেট। বাসায় ঢুকলাম রাত সাড়ে ১২টায়। ভোর পাঁচটায় কল-টাইম। তারপর শুরু হবে চেনা যুদ্ধ। কাজ আর কাজ। সামান্য সময়ের বিশ্রাম।

সূত্র: আনন্দবাজার

আরও পড়ুন ::

Back to top button