রাজনীতিরাজ্য

‘আপনার চামচারাই অধঃপতনের মূলে’,অধীরকে চিঠি পাঠিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের পদে ইস্তফা সোমেন পুত্রের

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পর থেকেই অধীরকে নিয়ে অসন্তোষ ছিল সোমন অনুগামীদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ একেবারে প্রকাশ্যে এনে ফেললেন সোমেন মিত্রের ছেলে রোহন মিত্র। প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েেছন রোহন। এদিকে আজই রাজ্যের নেতাদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে অধীরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রোহন মিত্র।

তাতে তিনি লেখেন, ‘আপনাকে ঘিরে থাকা চামচারা আপনার অধঃপতন ডেকে এনেছে। এর জেরে দলের অধপতনও ডেকে এনেছে তারা।’ রোহনের কথায়, রাজ্যে দল এতটাই নিচে নেমে গিয়েছে যে এর থেকে আর উঠে আসা সম্ভব নয়।

সোমেন মিত্রের মৃত্যুর পর থেকে অধীর চৌধুরীর ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে প্রদেশ কংগ্রেসে। তারপরেই অধীর চৌধুরীকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একুশের ভোটে অধীরের নেতৃত্বে কংগ্রেস প্রায় ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে বাংলা থেকে। কংগ্রেসের এই পরিস্থিতির জন্য অধীরের অদূরদর্শীতাকেই দায়ী করেছেন সোমেন পন্থীরা। একুশের ভোটের সময় থেকেই অধীরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন সোমেন পুত্র রোহন।

আজই প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রোহন মিত্র। পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে রীতিমতো অধীরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রোহন। তিনি অভিযোগ করেছেন অধীর চৌধুরী যোগ্য নেতা হলেও তিনি যাঁদের সঙ্গে নিয়ে চলছেন তাঁদের কোনও যোগ্যতা নেই। সেকারণেই ক্রমশ অস্তিত্ব হারিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস।

আজই প্রদেশ কংগ্রেসের েনতাদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তার আগেই সৌমেন পুত্রের এই পদক্ষেপ শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজনৈিতক মহলে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য একুশের ভোটে শিখা মিত্রকে প্রার্থী করার কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিলেন শিখা মিত্র।

অধীরের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবং অধীরের নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কী অধীর সরানো হতে পারে প্রদেশ সভাপতির পদ থেকে। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল হাইকমান্ড লোকসভার নেতা থেকে সরানো হতে পারে অধীর চৌধুরীকে।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন ::

Back to top button