ওপার বাংলা

স্ত্রী-কন্যা হত্যার ১২ দিন পর গ্রেপ্তার যুবক

বাংলাদেশের বরগুনার পাথরঘাটায় ৯ মাসের শিশু কন্যা ও স্ত্রীকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়ার ঘটনায় মো. শাহিনকে অপরাধ তদন্ত বিভাগ চট্রগ্রামের বন্দর থানা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে চলতি মাসে ১ তারিখে সদর ইউনিয়নের পূর্ব হাতেমপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের পূত্র মো. শাহিন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে গা ঢাকা দেয়। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল হোসেন সরকার এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

বরগুনার অপরাধ তদন্ত বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. সেলিম সরদার মঙ্গলবার বিকালে জানান, পাথরঘাটা উপজেলার পূর্ব হাতেমপুর গ্রামের মো. রিপন হাওলাদারের জামাতা মো. শাহিন তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (১৮) তার নয় মাসের কন্যাকে হত্যা করে বাড়ির নির্জন স্থানে মাটি চাপা দিয়ে গা ঢাকা দেয়। গত ৩ জুলাই লাশ উদ্ধার করে পাথরঘাটা থানা পুলিশ। অপরাধ তদন্ত বিভাগ তদন্ত করতে গিয়ে গত ১২ জুলাই গভীর রাতে চট্টগ্রামের বন্দর থানার ছনভোলা নামক স্থান থেকে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো সেলিম সরদার জানান, অপরাধ তদস্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করে। গত সোমবার পাথরঘাটা থানা থেকে মামলার তদন্তভার সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়। শাহিন চট্টগ্রামের একটি গ্যারেজে কাজ করছিল। সেখানে তার এক সৎবোন থাকত। সেই সূত্র ধরেই চট্রগ্রামে গিয়ে আশ্রয় নেয়। বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রথমে খুলনা, চট্গ্রাম ও খাগড়াছড়ি গিয়েছিল।

এই ঘটনায় মলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম সরদার জানান, আজ (১৪ জুলাই) বুধবার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে তাকে সোপর্দ করা হবে। গ্রেপ্তারের পরই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল হোসেন সরকার বলেন, গত ৩ জুলাই লাশ উদ্ধারের পর থেকে পুলিশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। হত্যা ঘটনায় শাহিনের শ্বশুর মো. রিপন হাওলাদার পাথরঘাটা থানায় জামাতা শাহিন, তার মামাত ভাই ইমাম, রিমন ও শাহিনের মা শাহনুর বেগমকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় হত্যা মামলা করেন। আসামি ইমাম এখনো পলাতক।

আরও পড়ুন ::

Back to top button