রাজনীতিরাজ্য

‘‌কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’‌, রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ৩৭০ ধারা বাতিল করে অশান্ত কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাই কোর্টে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জমা দেওয়া ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’-র রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতাদের নাম। যা দেখে ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার।

এ বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, চক্রান্ত করে বিজেপি এইভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল নেতাদের নামে বদনাম করতে চাইছে। যদিও এ অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বিজেপি নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‌সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলছে রাজ্য! যাক না! যতদূর যেতে হয় যাব।

একবার ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, মুখ পুড়েছে। আমরা চাই সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করুক এ বিষয়ে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তো আমরা আবেদন করে আনিনি। কোর্ট পাঠিয়েছে। রিপোর্টটা দেখলেন তো।’‌

প্রসঙ্গত, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হতে পারে রাজ্যের তরফে। প্রয়োজনে যাওয়া হতে পারে সুপ্রিম কোর্টেও।

এ বিষয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘‌অনেক গুন্ডার নাম তো দেখছি বাদ চলে গিয়েছে। অনেক দলদাস পুলিশের নাম নেই রিপোর্টে। আমরা আগামীদিনে ওইসব নাম সামনে আনব। রাজ্য সরকার ভেবেছিল যা খুশি করব! দেশে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী আছেন। আর তৃণমূলের নেতা-‌মন্ত্রীদের বলি আপনারা একটা প্রদেশে আছেন।

৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন। ডাললেকের ধারে এখন তেরঙ্গা পতাকাগুলি ঝুলে, সবুজ পতাকা আর নেই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই।’‌

এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‌দল যদি চায়, আমি মানহানির মামলা করব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিরুদ্ধে। প্রত্যেকটা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যকে হাইকোর্টে টেনে আনব। আমার নামে রাজ্যের কোনও থানায় অভিযোগ নেই। অথচ বদনাম করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।’‌

সূত্র : আজকাল

আরও পড়ুন ::

Back to top button