রাজ্য

টাটাকে বাংলায় ফেরাতে চান পার্থ

আজ থেকে ঠিক ১৫ বছর আগে সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে রাজ্যের বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০০৬ সালে ২নং জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সিঙ্গুরে ৯৯.১১ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল তত্‍কালীন বাম সরকার। ওই জমি টাটা মোটরসের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সেই সময় বিরোধী নেত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৪৭ একর চাষযোগ্য জমি ফেরতের দাবিতে ২৬ দিনের অনশনে বসেছিলেন মমতা। তারপরেই সরাসরি টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে অশান্তি জরান তৃণমূল নেত্রী। তারপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই জমি এখন চাষিদের হাতে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে রাজ্য থেকে টাটার এইভাবে চলে যাওয়া ভালোভাবে মেনে নেয়নি দেশের বণিকমহল। যার জন্য বিগত একদশকের বেশি সময় ধরে রাজ্যে আসেনি কোনও বড় বিনিয়োগ। মুখ ফিরিয়েছেন শিল্পপতিরা। তবে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গই এখন ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যের প্রবেশের মূল জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বিনিয়োগ আসার রাস্তা তৈরি হয়েছে।

আর ফের রাজ্যে টাটারা আসবেন ও বিনিয়োগ করবেন। এমনটাই মনে করছেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি জানিয়েছেন, ‘টাটাদের সঙ্গে আমাদের কখনই শত্রুতা ছিল না। ওদের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করিনি। দেশের অন্যতম সেরা ও বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ওরা। টাটাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। বাম সরকারের সঙ্গে সমস্যা ছিল। জোর করে জমি অধিগ্রহণের নীতি নেওয়া হয়েছিল। বাংলায় বিনিয়োগ করতে টাটার জন্য বরাবর দরজা খোলা রয়েছে। ওদের স্বাগত।’

পার্থবাবু আরও জানিয়েছেন, ‘টাটা মেটালিকস, টাটা সেন্টার, টিসিএস রয়েছে। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পিজিতেই টাটার ক্যানসার হাসপাতাল হবে। কিন্তু, যদি ওরা অন্যান্য সেক্টরে বড় বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে কোনও সমস্যা নেই। আমাদের তথ্য প্রযুক্তি দফতরের সচিব সম্প্রতি জানিয়েছেন, টাটা সেন্টার তৈরির ব্যপারে ওরা আগ্রহী।’

সুত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button