জাতীয়

নাবালিকা ধর্ষণ কাণ্ডে উত্তপ্ত দিল্লি, ধর্ষিতা শিশুকন্যার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন রাহুল গান্ধী

ফের নারীর সম্মানহানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল হল দিল্লি। এক দলিত নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের (rape and murder of a dalit girl) ঘটনায় বুধবার সকাল থেকে প্রতিবাদ জানাতে পথে নেমেছে দিল্লির মানুষ। এ দিন সকালেই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেস নেতা (Congress leader Rahul Gandhi) রাহুল গান্ধী।

নাবালিকার পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাহুল তাদের বলেন, “আমি সবসময় আপনাদের পাশে আছি। ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।” মঙ্গলবারও রাহুল গান্ধী টুইট করে ওই নাবালিকাকে “দেশের মেয়ে” বলে উল্লেখ করেন এবং অলিম্পিকে মেডেল আনলে তবেই মেয়েদের,’ দেশের গর্ব ‘ বলে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।

এদিকে দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকেও পৃথক একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। এ দিকে, গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গিয়েছে। দলিত নেতা তথা ভীম সেনার প্রধান শেখর আজাদ নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। নঙ্গল গ্রামে আন্দোলনেও তিনি যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের পুরানা নঙ্গল এলাকার বাসিন্দা ওই দলিত নাবালিকাকে একটু ঠাণ্ডা জল আনতে পাশেরই একটি শশ্মানে পাঠায় পরিবারের লোকজন। কিন্তু বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও ফিরে আসেনি সে। এরপরই এক প্রতিবেশী নাবালিকার মা’কে ডেকে মেয়ের অর্থদগ্ধ দেহটি দেখান।

এই জঘন্য ঘটনায় অভিযোগের তির শ্মশানের প্রধান পুরোহিত রাধেশ্যাম ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পুলিশকে জানালে ভালো হবে না বলে ভয় দেখানো হয়। প্রমাণ লোপাট করতে জোর করে তাঁর দেহও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে নাবালিকার মা-বাবা পুলিশে অভিযোগ জানান। এরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ৪ জনকেই গ্রেফতার করে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button