উঃ ২৪ পরগনা

ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল - West Bengal News 24

আবারও উত্তপ্ত ভাটপাড়া। ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে এক বিজেপি নেতার বাড়িতে দুষ্কৃতীদের ভাঙচুর-এর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সোমবার রাতে ভাটাপাড়ার পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁকিনাড়ার মাদ্রাল এলাকায় বিজেপির নেতা গৌরাঙ্গ সরকারে বাড়িতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। একদল দুষ্কৃতী চড়াও হয়ে এই ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।

বিজেপি করার অপরাধেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এই ঘটনায় ভাটপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার বিষয় বিজেপি নেতা গৌরাঙ্গ সরকার জানান, ‘গতকাল রাতে এই এলাকার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কিছু দুষ্কৃতী আমার বাড়িতে হামলা চালায়।’

তিনি আরও জানান, ‘আয়ুর্বেদিক কলেজের ছাত্ররা আমার বাড়িতে ভাড়া থাকে। ওরা জল আনতে বাইরে গেলে তাদের পিছন পিছন বাড়িতে ঢোকে তাদের মারধর করে। তারপর আমার ঘরের ভিতর ঢুকে ভাঙচুর করে। বাইক ভেঙে দেয়। এরপর দোতলায় উঠে গিয়ে আমার বাথরুম ভাঙে’ বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, ‘৩৫ হাজার টাকা লুঠ করে নেয় দুষ্কৃতীরা। রিভলবার লাঠি নিয়ে এসে দুষ্কৃতীরা তান্ডব করে।’

গৌরাঙ্গ সরকার আরও বলেন, ‘এই নিয়ে আমার বাড়িতে চার বার আক্রমণ হল। এর আগে ২ তারিখ ফল ঘোষণার সময় ভাঙচুর চালানো হয়, ৫ তারিখে ভাঙচুর হয়। ১ তারিখে বোমাবাজি করা হয়। এরপর আবারও গতকাল অর্থাত্‍ সোমবার রাতে দুষ্কৃতী হামলা হল বাড়িতে।’

পুলিশের বিরুদ্ধেও তাঁর অভিযোগ, ‘বারবারই ডাকলে পুলিশ চলে আসে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু তদন্ত করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা পুলিশ নেয়নি।’ তাঁর প্রশ্ন, ‘আমার অপরাধ কী আমি একজন বিজেপির সমর্থক, আমার কী এখানে থাকার গণতান্ত্রিক অধিকার নেই ? তাহলে আমায় কী চলে যেতে হবে ? আমি এক জন সার্ভিস হোল্ডার, আমার স্ত্রীও সার্ভিস হোল্ডার, বাড়িতে বৃদ্ধ মা রয়েছেন। তারপরও বারবার এই হামলা।’ ‘এইভাবে কী দিনের পর দিন চলবে ? এর কোনো সুরাহা নেই ?’ প্রশ্ন তোলেন বিজেপি নেতা গৌরাঙ্গ সরকার।

এই ঘটনায় অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে থাকলেও, অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। তবে যাতে এই ঘটনা ঘিরে আর কোনোরকম উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য এলাকায় পুলিশ পিকেটও বসানো হয়েছে।

সূত্র : প্রথম কলকাতা

আরও পড়ুন ::

Back to top button