মুর্শিদাবাদ

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম পূরণের নামে টাকা দাবি, অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরল পুলিশ

রমরমিয়ে চলছে ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প। এই প্রকল্পকে ঘিরে শুরু হয়েছে দুর্নীতিও। অভিযোগ পেয়েই বহরমপুরের সুতি ১ নং ব্লক পরিদর্শনে যান বিডিও এবং পুলিশ। সেখানে গিয়ে বিডিও জানতে পারেন, ‘লক্ষীর ভান্ডার’ প্রকল্পের ফর্ম জমা দিতে গিয়ে দালালের শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসীরা। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্বাস দিয়েছেন সাত দিনের মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে হাজার টাকা ঢুকে যাবে। এরপরই পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলে আপেল শেখ নামের এক ব্যক্তিকে।

আরো পড়ুন : রামকৃষ্ণ আশ্রমে মদের আসর, প্রতিবাদী সন্ন্যাসীকে গালিগালাজ করে মুখে মদ ঢেলে পালালো যুবকরা

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত আপেল শেখ তাঁদের কাছ থেকে আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তথ্য সংগ্রহ করে। টাকাও নিয়েছে অনেকের কাছ থেকে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত। আপেল শেখের দাবি, ‘আমি কারও কাছে টাকা চাইনি। তবে স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের অনুরোধে কিছু মানুষকে সাহায্য করেছি।’

আরো পড়ুন : পুলিশকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার প্রায় ২৫০ নারায়ণী সেনা

সুতি ১ নং ব্লকের বিডিও মহম্মদ রিয়াজুল হক বলেন, ‘এই ব্লকের ৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা মোট ৭৬ টি ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প করেছি। যা সম্ভবত রাজ্যে সর্বাধিক। আমরা বারবার প্রচার চালাচ্ছি, সাধারণ মানুষ যাতে কোনও দালাল বা পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে প্রকল্পের ফর্ম জমা না দেন।

‘দুয়ারে সরকার ‘ ক্যাম্পে গিয়ে জমা করবেন এবং রিসিপ্ট নম্বর নেবেন। আজ যে দালাল ধরা পড়েছে তাকে ওয়ার্নিং দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে যদি কেউ এই ধরণের কাজ করে, প্রশাসন তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেবে।’

সূত্র: আজকাল

আরও পড়ুন ::

Back to top button