পশ্চিম মেদিনীপুর

নেশার প্রতিবাদ করায় ভাইয়ের হাতে ‘খুন’ দাদা, পুলিশের জালে অভিযুক্ত

চোখের সামনে ভাই নেশা করে দিন কে দিন উচ্ছনে গেলে কোন দাদারই বা সেটা দেখতে ভালো লাগে। তাই সব বাড়িতেই যা হয় এক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে। দাদা ভাইয়ের মদ খাওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু সেই প্রতিবাদের ফল যে এতটা মারাত্মক হবে সেটা তিনি বুঝতে পারেননি। যখন পারলেন তখন অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে। মদ্যপ ভাইয়ের হাতে খুনই হয়ে যেতে হল দাদাকে।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্যতম মহকুমা শহর তথা রেলশহর হিসাবে পরিচিত খড়গপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রপল্লি এলাকায়। মৃত দাদার নাম জি নভজিত্‍ রাও। তাঁকে খুন করার দায়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই তাঁর ভাই জি সুমিত রাওকে গ্রেফতার করেছে।

আরো পড়ুন : আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে, দক্ষিণবঙ্গে বৃদ্ধি পাবে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি

জানা গিয়েছে, সুমিত নিয়মিত নেশা করে বাড়ি ফিরত। তার প্রতিবাদ করতেন নভজিত্‍। যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে অশান্তিও হত। আর এই অশান্তির জন্য দাদার ওপর ক্ষেপে ছিল সুমিত। রবিবার রাতে সেই ক্ষোভ থেকেই দাদাকে আক্রমণ করে সুমিত। দ্রুত গতিতে থাকা বাইক নিয়ে ধাক্কা দেয় নভজিত্‍ রাওকে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন নভজিত্‍। তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তড়িঘড়ি পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে চিকিত্‍সা শুরুর পরেও নভজিতের অবস্থার অবনতি হয়। এরপরই তাঁকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে রেফার করেন চিকিত্‍সকরা। সেখানে নভজিতকে ভর্তিও করা হয়। কিন্তু তাতেও কিছু লাভ হয়নি। রাতেই মৃত্যু হয় নভজিতের। এরপরই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করে সুমিতকে। তবে পাড়াপ্রতিবেশীদের দাবি, শুধু মদ্যপান নিয়েই দুইয়ের বিরোধ ছিল না। সম্পত্তিগত বিবাদও ছিল। পুলিশ এখন তদন্তে নেমে এইসবই খতিয়ে দেখছে।

সূত্র: এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button