কলকাতা

ওমিক্রনের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে ইকোপার্ক,মানুষের ঢল সর্বত্র

ওমিক্রনের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে ইকোপার্ক,মানুষের ঢল সর্বত্র - West Bengal News 24

ওমিক্রন চোখ রাঙাচ্ছে কলকাতা শহরে। ৫ জন নতুন করে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন শহরে। তার মধ্যেই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তত্‍পর শহরবাসী। বছরের শেষ দিনে শহরের একাধিক জায়গায় ভিড় করতে শুরু করে দিয়েছেন মানুষ। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরেই তাঁরা বেরিয়ে পড়েছিলেন বাড়ির বাইরে।

কেউ গিেয়ছেন ইকোপার্ক, তো কেউ গিয়েছেন নিক্কোপার্ক আবার কেউ ভিড় করেছেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ারে। ৩১ ডিসেম্বরের রাতে পার্কস্ট্রিটে বর্ষবরণের উত্‍সবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পার্কস্ট্রিট আজ ওয়াকওয়ে হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

সকাল থেকেই শহরের িবভিন্ন জায়গায় পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে। মাস্ক ছাড়া কাউকে দেখলেই সতর্ক করা হচ্ছে। এমনকী মাস্ক না পরার জন্য গ্রেফতারও করা হয়েছে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় চলছে নজরদারি। শহরে এদিকে ওমিক্রন সংক্রমণ বাড়ছে। নতুন করেই রাজ্যে ৫ জন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হয়েছেন। এই নিয়ে কলকাতা পুরসভা আধিকারীকরা জরুরি বৈঠক সেরেছেন। এদিকে রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়তে শুরু করেছে।

একদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আরেকদিকে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ দুইয়ের আতঙ্কের মধ্যেই বর্ষ শেষের উত্‍সবে মেতেছেন রাজ্যবাসী। শুধু শহরে নয় জেলায় জেলায় একাধিক পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় করেছেন পর্যটকরা। শহরের বাইরে অনেকে ভিড় করেছেন।

আরও পড়ুন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে পড়ুয়াদের গ্রিটিংস কার্ড দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

মুকুটমনিপুর থেকে শুরু করে তারাপীঠের মন্দির, শান্তিনিকেতনে ভিড় করেছেন পর্যটকরা। করোনা সংক্রমণের কারণে বদ্ধ জীবনে হাঁপিয়ে উঠে রাজ্যবাসী বেরিয়ে পড়েছেন বাড়ির বাইরে।

এদিকে বাইরে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। তার সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণও। দিঘা থেকে দার্জিলিঙের ম্যোলও ভিড় করেছেন তাঁরা। গত পরশু দার্জিলিঙে তুষারপাত হয়েছে। পর্যটকরা নেকদিন পর দার্জিলিঙে তুষারপাত উপভোগ করেছেন।

পাহাড়ের একাধিক পর্যটন কেন্দ্রে রেকর্ড ভিড় দেখা গিয়েছে। এদিকে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন রেস্তরাঁ এবং ক্লাবগুলিতে ভিঁড় বাড়বে। সেক্ষেত্রে বর্ষ বরণের জনসমুদ্র ঠেকাতে কতটা তত্‍পর হবে পুলিশ প্রশাসন তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েেন পুলিশ কমিশনার। এদিকে ইতিমধ্যেই কলকাতা শহরে ১৭টি কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্ষবরণের উত্‍সবের ভিড়ে সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে মনে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সুত্র: Online India Bengali

আরও পড়ুন ::

Back to top button