জীবন যাত্রা

ইন্ট্রোভার্ট? সম্পর্কে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

ইন্ট্রোভার্ট? সম্পর্কে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

ইন্ট্রোভার্ট মানেই নিজের মাঝে থাকা একজন মানুষ। সবার সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলা, গল্প করা, হঠাৎ অচেনা একদল মানুষের সাথে বেড়িয়ে পড়া কিছুই যেন যায় না আপনার সাথে। তার চেয়ে বরং ভাল লাগে নিরিবিলি কোথাও বসে গল্পের বই পড়তে, নিজের মত কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে জীবনের কথা ভাবতে। সেই আপনি যখন নতুন কোন সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তখন মনে নিশ্চয়ই অনেক ভয়? কেমন হবে মানুষটা, তার সাথে মানিয়ে চলতে পারবেন কিনা আপনি, আপনার নিজের মত থাকাটাকে মেনে নেবে কিনা সেই মানুষটা- এমনি আরো কত দুশ্চিন্তা! সম্পর্কে কয়েকটি ক্ষুদ্র বিষয়ের চর্চা আপনাকে রাখতে পারে এ জাতীয় যেকোন সমস্যা থেকে মুক্ত। জেনে নিন এগুলো-

স্বচ্ছতা বজায় রাখুন
আপনার হয়ত বেশী কথা বলতে ভাল লাগে না। কখন কোথায় গেলেন, কি করলেন এসব কিছু নিয়ে গল্প করতেও ভাল লাগে না। আবার খারাপ লাগে এমনও নয়। কিন্তু আপনি কিছু বলার খুঁজে পান না। সেক্ষেত্রে সচেতনভাবেই আপনার সংগীকে সব কথা বলুন। অন্তত তাকে প্রশ্ন করে জেনে নেওয়ার সুযোগ দিন।

ভালবাসি বলুন
ভালবাসার সম্পর্কে এই একটা শব্দের মূল্য অনেক বেশী। আপনার সঙ্গী জানেন যে আপনি তাকে ভালবাসেন। তবু তাকে বলুন। বার বার বলুন। আপনার হয়ত মুখে বার বার ভালবাসি বলতে সংকোচ বোধ হবে। তাহলে অন্যভাবে বলুন। কখনো চিঠি লিখুন। কখনো ছোট্ট একটা মেসেজ লিখুন। বাসায় ফেরার পথে কিনুন একটি গোলাপ।

শুনুন
আপনি কথা বলছেন কম। কিন্তু সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে কথা শুনে। সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তার গল্পগুলো শুনুন। তাকে বলতে দিন, উৎসাহ দিন। আপনি সব কিছুতে তার সাথে যুক্ত না থাকলেও আপনি যে তার ব্যপারে আগ্রহী এবং তার খেয়াল রাখেন এটা তাকে বুঝতে দিন।

দায়িত্বশীল হোন
সম্পর্কের দায়িত্বগুলো বুঝে নিন। আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু এমন অনেক সময়ই আছে যখন আপনাকে আপনার সংগীর বন্ধুদের সময় দিতে হবে। তার পরিবারকে সময় দিতে হবে। আপনার ভাল লাগছে না বলে এগুলো এড়িয়ে যাবেন না। আপনারা যখন একসাথে থাকবেন তখন সেই ছোট্ট বাসাটির কিছু দায়িত্ব থাকবে। সেই দায়িত্বগুলোও পালন করুন।

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ
আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজের উপর খেয়াল রাখুন। আপনি পছন্দ করেন না এমন অনেক কিছুই অন্যরা পছন্দ করেন। দায়িত্ব হিসেবে সেগুলো পালন করার সময় খুশীমনে পালন করুন। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে যেন অবজ্ঞা, বিরক্তি ফুটে না ওঠে। যতটুকু সময় না দিলেই নয় ততটুকু দিন। এরপর হাসিমুখে সরে আসুন। নির্ভেজাল ঐ সময়টুকু দেওয়ার পর দেখবেন একা থাকতে চাইলেও কেউ আপনাকে বিরক্ত করছে না।

আরও পড়ুন ::

Back to top button