প্রযুক্তি

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিক্রি হলো ‘অন্য দুনিয়া থেকে আসা’ রহস্যময় ব্ল্যাক ডায়মন্ড

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিক্রি হলো ‘অন্য দুনিয়া থেকে আসা’ রহস্যময় ব্ল্যাক ডায়মন্ড - West Bengal News 24

শতকোটি বছরের পুরোনো বিরল এই হীরার ইতিহাস আগাগোড়া রহস্যে মোড়া। কথিত আছে ২৬০ কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে আসা কোনো উল্কা পিণ্ডের সঙ্গে সংষর্ষের কারণে পৃথিবীর বুকে বিরল এই কালো হীরা আছড়ে পড়ে। তাই বলা হয়ে থাকে বিশ্বের বৃহত্তম এই কাটা হীরার জন্ম অন্য কোনো দুনিয়ায়। সম্প্রতি লন্ডনে নিলামে বিক্রি হয়ে গেল বিরল কালো হীরা ‘দ্য এনিগমা’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

নিলাম হাউস সথেবি’র থেকে গত বুধবার ৪.৩ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩২ কোটি টাকার বেশি দামে বিরল এই হীরা বিক্রি হয়। সথেবি’র তাদের ভ্যারিফাইড টুইটার পেজে এই বিক্রির খবর নিশ্চিত করেছে। ক্রেতা ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে বিরল এই হীরাটি কিনেছেন বলে সথেবি’স জানিয়েছে।

আরও পড়ুন :: অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা লুট!

গত মাসে দুবাইতে প্রথমবারের মতো এই ৫৫৫.৫৫ ক্যারেটের বিরল কালো হীরা প্রকাশ্যে আনেন এর অজ্ঞাত মালিক।

এর আগে নিলাম হাউস সথেবি’র এর অলঙ্কার বিশেষজ্ঞ সোফি স্টিভেনসের জানিয়েছিলেন, অন্তত ২৬০ কোটি বছর আগে কালো হীরাটি কোনো উল্কার অংশ অথবা পৃথিবীর সঙ্গে উল্কার সংঘর্ষে তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

কার্বোনেডো নামে পরিচিত কালো হীরা খুবই বিরল। প্রাকৃতিকভাবে এই ধরনের হীরা শুধু ব্রাজিল ও মধ্য আফ্রিকায় পাওয়া যায়। কার্বন আইসোটোপ ও হাইড্রোজেন উপাদানের কারণেই বিরল এই হীরার উৎপত্তি মহাকাশে বলে ধারণা করা হয়।

‘দ্য এনিগমা’কে খুবই বিরল হীরা বলে মনে করেন সোফি স্টিভেনস। বিশ্বের বৃহত্তম কাটা হীরা হিসেবে ২০০৬ গিনেস বুকের স্বীকৃতিও পেয়েছে ‘দ্য এনিগমা’।

বিরল এই হীরাকে কেটে ৫৫মুখী আকার দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আকৃতি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তি ও সুরক্ষার প্রতীক খামসার মতো। হাতের তালু আকৃতির ওই প্রতীকের সঙ্গে পাঁচ সংখ্যাটির বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণেই ৫৫মুখী আকার দেওয়া হয়েছে হীরাটিকে।

মন্তব্য করুন ..

আরও পড়ুন ::

Back to top button