রাজ্য

রাত পোহালেই ফুল বদল!

রাত পোহালেই ফুল বদল! - West Bengal News 24

ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এবং তার ছেলে পবন সিং রবিবার সন্ধ্যায় তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। সূত্র বলছে, সবকিছু নিশ্চিত হলে রবিবার সন্ধ্যায় অর্জুন সিং তৃণমূলে ফিরবেন। অর্জুন সিং ব্যারাকপুর থেকে বিজেপির বাহুবলী সাংসদ এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির উপর ক্ষুব্ধ।

সম্প্রতি তিনি বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সাথে দেখা করেছিলেন, কিন্তু সূত্র বলছে যে অর্জুন সিং তার মন তৈরি করেছেন এবং রবিবার তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। এ নিয়ে জল্পনা জোরদার হয়েছে।

অর্জুন সিংয়ের তৃণমূলে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিজেপির জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে, কারণ লোকসভা নির্বাচনের আগে অর্জুন সিং এবং তার ছেলে পবন সিং তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। ব্যারাকপুরে লোকসভা আসন জিতেছিলেন এবং তিনি ক্রমাগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছিলেন এবং দলের গণভিত্তির নেতা হিসাবে বিবেচিত হন।

অর্জুন সিং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে প্রথমবারের মতো এমপি হয়েছিলেন। এর আগে, তিনি বঙ্গ বিধানসভার সদস্য ছিলেন (২০০১-২০১৯ পর্যন্ত)। এই সময়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব কাছের বলে বিবেচিত হন।

তিনি ভাটপাড়া পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে যোগদানের পরে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং টিএমসি নেতাদের সাথে তার প্রায়শই রাজনৈতিক বিবাদ ছিল। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পারফরম্যান্স খুবই খারাপ ছিল। বিজেপি অর্জুন সিংকে রাজ্য সহ-সভাপতি করেছিল, কিন্তু তাকে কাজ না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে।

অর্জুন সিং দীর্ঘদিন ধরেই পাটের দাম নিয়ে টার্গেট করে আসছিলেন। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, অর্জুন সিং লাগাতার বিজেপিকে আক্রমণ করে চলেছেন। তিনি বলেন, বিজেপি বাংলায় শুধু ফেসবুকে, বুথে নয়। ব্যারাকপুরের প্রধান শিল্প হল পাটকল। নষ্ট হয়ে যাবে আর আমি বসে বসে দেখব!

ব্যারাকপুরের সাংসদ বলেন, বিধানসভার ফলাফলের জন্য আমি দায়ী নই যারা প্রার্থী দিয়েছেন। এর জন্য তারা দায়ী। তিনি বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনেকেরই বাংলার রাজনীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই এমন প্রার্থী দিয়েছেন যাদের জমিজমা বা জনসাধারণের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।

মন্তব্য করুন ..

আরও পড়ুন ::

Back to top button