মডেলিং

৭৬ বছর বয়সেও ‘যুবতী’ তিনি

অভিনেত্রী জ্যাকলিন স্মিথ। বয়স তার ৭৬ বছর। কিন্তু এই বয়সেও রূপ, লাবণ্য ধরে রেখেছেন। যেকেউ তাকে দেখে বলে দিতে পারবেন না বয়স কত। সর্বোচ্চ কত- ৩০, ৩৫ বা ৪০? কিন্তু তার তাকানো, বলিরেখাহীন ত্বক, পোশাকের ধরন কোনদিক দিয়ে পিছিয়ে তিনি! অধুনা যেকোনো যুবতীর সঙ্গে এসব দিয়ে টক্কর দিতেই পারেন জ্যাকলিন স্মিথ। কিভাবে সম্ভব ৭৬ বছর বয়সে নিজেকে এভাবে ধরে রাখা। রূপ, যৌবনকে অটুট রাখা! জ্যাকলিন স্মিথ ‘ইউ’ ম্যাগাজিনকে বলেছেন এসব সম্পর্কে। তিনি বলেছেন, যুবতী দেখাতে তিনি কখনো কসমেটিক সার্জারি করাননি। বোটক্স নামের থেরাপি থেকে সব সময় নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। বোটক্স হলো বলিরেখাকে দূর করে দেয়ার এক রকম থেরাপি।

বলেছেন, বোটক্স নিয়ে আমার ভীতি আছে। আমার স্বামী আমাকে বলেছেন, যদি তুমি বার বার বোটক্স করাও, তাহলে তোমার মাংসপেশী পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। তুমি এই শহরে এমন কিছু কাজ করতে পার, যা অন্য কেউ করেনি। পুরো জীবনে জ্যাকলিন কখনো মাদক স্পর্শ করেননি। এসবই তাকে দিয়েছে রূপবতী থাকার গুন।

তিনি বলেন, আমি কখনো ফিলারসে বিশ্বাস করি না। এমনকি আমি অন্য কোনো রকম অপারেশন করাই নি। আমার মুখে যদি আমি কিছু ব্যবহার করে থাকি, তাহলো আমার নিজের মুখেরই ফ্যাট বা চর্বি। অর্থাৎ তার মুখে যে ফ্যাট সেটা নিয়েই তিনি পরিপাটি থাকেন। বর্তমানে তিনি মাল্টি-মিলিয়ন ডলারের স্কিনকেয়ার সেন্টার ‘চার্লিস অ্যানজেলে’র বস। লস অ্যানজেলেসে পাহাড়ের ওপর বাসায় বসে তিনি দেখাশোনা করেন পোশাকের ব্যবসা।

অথচ এখন থেকে ২০ বছর আগে জ্যাকলিন স্মিথের স্তনে একটি লাম্প বা পিণ্ড দেখা দেয়। তা থেকে দেখা দেয় স্তন ক্যান্সার। নিয়মিত ম্যামোগ্রামে এটা ধরা পড়ে। রেডিয়েশন চিকিৎসা নিতে থাকেন। কয়েক মাসের মধ্যে তা সমূলে বিনাশ হয়ে যায়। এতে তিনি নতুন জীবন পান যেন। জ্যাকলিন বলেন, আমার এই ইতিহাস আমাকে পাল্টে দিয়েছে, যেন আমি যে দিনটাকে সামনে পাই, তাকে প্রয়োজনে ব্যবহার করি।

জ্যাকলিন স্মিথের চতুর্থ ও বর্তমান স্বামী ব্রাড অ্যালেন (৬৭) হার্টের একজন সার্জন। এখন থেকে ৩০ বছর আগে তিনি জ্যাকলিনের পিতার অপারেশন করিয়েছিলেন। তখন থেকেই তারা একে অন্যের পরিচিত। ১৯৯৭ সালে বিয়ে করেন তারা। তবে এর আগে বেশ কয়েক বছর চুটিয়ে প্রেম করেন। এরও আগে চ্যার্লি অ্যানজেলস যখন ১৯৮১ সালে ৫ বছর পূর্ণ করে, তখন প্রথম দু’জন স্বামীকে তালাক দেন। তারা দু’জনেই অভিনেতা। জ্যাকলিন বলেন, ওই দু’জনের সঙ্গে আমার বিয়েকে আমি বিয়ে বলি না।

তৃতীয়বার তিনি বৃটিশ সিনেমাটোগ্রাফার টনি রিচমন্ডকে বিয়ে করেন। টনি তখন দুই সন্তানের পিতা। তার একজন ছেলে। নাম গ্যাস্টন এবং অন্যজন মেয়ে। নাম স্পেন্সার। কিন্তু টনি খুব বেশি মদ পান করতেন। এ কারণে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন ::

Back to top button