নদীয়া

চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ে কবি বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী

নদিয়ার চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ে কবি বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হল ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার। প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন কবি রামকৃষ্ণ দে। কলেজের নদিয়া কক্ষে কবি বিজয়লালের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্পদনারায়ণ ধর। চাপড়া জনপদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক সংস্থাকে কলেজের পক্ষ থেকে এ দিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

আলোচনা চলাকালে নদিয়া কক্ষে মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল দেখার মতো। সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যাপক অধ্যাপিকা এবং শিক্ষাকর্মীবৃন্দরা। সকলের উপস্থিতিতে কবি বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা বিশেষ মাত্রা পায়।

কবি বিজয়লাল চাপড়া জনপদেরই ভূমিপুত্র। তাঁর ১২৫তম জন্মবর্ষ উদযাপনের মধ্যে দিয়ে এই বিস্মৃত কবির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক দীপাঞ্জন দে বলেন, “কবি, স্বাধীনতা সংগ্রামী বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমরা তাঁকে নিয়মিত চর্চার মধ্যে আনতে চাই। শিক্ষার্থীরা বিজয়লাল সম্পর্কে খুব কম জানে। তাদের সাথে বিজয়লালের পরিচয় করানো ছিল আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।”

চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. নিরঞ্জন গুহ অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ রাখেন। উদ্বোধনী সংগীতে বিজয়লালের লেখা একটি গান পরিবেশন করেন কলেজের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক চিরঞ্জিত প্রামাণিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বাসুদেব ঘোষ। প্রধান বক্তা রামকৃষ্ণ দে কবি বিজয়লালের সঙ্গে কাটানো তার সময়ের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা বলেন। বিজয়লালের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠি চাপাটি, বিজয়লালের পল্লী ভাবনা, পত্রিকা সম্পাদনা, স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ প্রভৃতি অনেক কথা তিনি বলেন। বক্তব্যে কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক, কবি জাবের আলীর প্রসঙ্গও চলে আসে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button