নবান্নকে না জানিয়ে মন্দারমণিতে কোনও বুলডোজার চলবে না – সাফ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

মন্দারমণির প্রায় দেড়শোরও বেশি হোটেল এবং রিসর্ট ভাঙার যে নির্দেশ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন দিয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কিছু জানানোই হয়নি৷ জেলা প্রশাসনের এই ধরনের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী স্তম্ভিত বলেও নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৷ মন্দারমণিতে কোনও বুলডোজার চলবে না৷ এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নবান্নকে না জানিয়ে কোনও হোটেল এবং রিসর্ট ভাঙতে পারবে না জেলা প্রশাসন৷ এ দিন নবান্নের পক্ষ থেকে এমনই জানানো হয়েছে৷
জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশিকাকে মান্যতা দিতে মন্দারমণির সৈকত লাগোয়া প্রায় ১৬৪টি হোটেল এবং রিসর্ট ভাঙার জন্য নির্দেশ জারি করেছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন৷ হোটেল, রিসর্ট মালিকরা নিজেরা পদক্ষেপ না করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেই নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক৷ ২০২২ সালে এই বেআইনি হোটেলগুলি ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় পরিবেশ আদালত। উপকূলবিধি না মেনেই ওই হোটেলগুলি গড়ে উঠেছিল বলে অভিযোগ।
এর মধ্যে শুধু দাদনপাত্রবাড়েই রয়েছে ৫০টি হোটেল, সোনামুইয়ে ৩৬টি, সিলামপুরে ২৭টি। মন্দারমণিতে ৩০টি হোটেল এবং দক্ষিণ পুরুষোত্তমপুর মৌজায় একটি লজ ছিল সেই তালিকায়। এ সবই ভাঙা পড়ার কথা পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মতো। গত কয়েক বছরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই সৈকতনগরীতে পর্যটকদের আনাগোনা খুব বেড়েছে। সৈকত ঘেঁষে মাথা তুলেছে একের পর এক হোটেল-রিসর্ট। তৈরি হয়েছে দোকান। পর্যটন ঘিরে কর্মসংস্থানও বেড়েছে। এবার সেই মন্দারমণিতে বড় ধাক্কা। শতাধিক হোটেল ভেঙে ফেলার নির্দেশ আসতেই মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের।



