
তিনি রতন টাটার ‘ইয়ং ফ্রেন্ড’ – বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই শান্তনু নাইডু আবার টাটার সান্নিধ্যে। টাটা মোটরসের জেনারেল ম্যানেজার করা হল তাঁকে। একইসঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক ইনিশিয়েটিভের প্রধান করা হয়েছে তাঁকে। উল্লেখ্য , ২০১৪ সালে সাবিত্রীবাই ফুলে পুণে ইউনিভার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন শান্তনু নাইডু। এরপরে ২০১৬ সালে কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন। এই সময়ই তাঁর আলাপ হয়েছিল রতন টাটার সঙ্গে।
কিন্তু কিভাবে প্রয়াত রতন টাটার সাথে আলাপ হয়েছিল শান্তনুর ? ২০১৪ সালে শান্তনু পথ কুকুরদের দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে এক বিশেষ কলার তৈরি করেছিলেন, যা নজর কেড়েছিল রতন টাটার। প্রথম সাক্ষাতেই দুজনের মধ্যে গড়ে উঠেছিল বন্ধুত্ব। শান্তনু যেমন রতন টাটার কথাবার্তা, ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছিলেন, রতন টাটারও শান্তনুকে ভাল লেগেছিল তাঁর চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য।
টাটা মোটরসে শীর্ষ পদ পেতেই আবেগঘন এক পোস্ট করেছেন শান্তনু। লিঙ্কডইনে তিনি লিখেছেন, “আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি টাটা মোটরসের জেনারেল ম্যানেজার ও স্ট্র্যাটেজিক ইনিশিয়েটিভ হেড পদে কাজ শুরু করতে চলেছি। আমার মনে আছে, আমার বাবা যখন সাদা শার্ট ও নীল রঙের প্যান্ট পরে টাটা মোটরস প্ল্যান্ট থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরতেন, আমি জানালায় বসে তাঁর অপেক্ষা করতাম। বৃত্ত সম্পূর্ণ হল।”
২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর ৮৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রতন টাটা। তিনি নিজের উইলেও শান্তনুর জন্য বিশেষ উপহার দিয়ে গিয়েছিলেন। ২০২১ সালে রতন টাটা ও শান্তনুর যৌথ উদ্যোগে তৈরি গুডফেলোজের মালিকানা থেকে নিজের স্বত্ব তুলে নেন তিনি। শান্তনুর পড়াশোনার জন্য যে ঋণ ছিল, তাও মকুব করে দেন।



