
সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ফের সরব হল ভারত। এবার আন্তর্জাতিক মহলের সামনে পাকিস্তানের আসল রূপ উন্মোচন করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফরে যাচ্ছে ভারতের একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং সন্ত্রাস দমন নিয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরতে বুধবার একটি বহুদলীয় প্রতিনিধি দল জাপানের উদ্দেশে রওনা দেয়। জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর সাংসদ সঞ্জয় ঝা এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রওনা হওয়ার আগে সঞ্জয় ঝা বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া নিয়ে বিশ্বের কাছে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেওয়াই তাঁর টিমের কাজ।’
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঠিক করা হয়েছে যে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত প্রতিনিধিদলগুলো বিশ্বের নানা প্রান্তে গিয়ে পাকিস্তানের সন্ত্রাসে মদতের তথ্য তুলে ধরবে। ভারতের সন্ত্রাস দমন নীতি এবং পদক্ষেপ সম্পর্কে সচেতন করা হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে।
এই দিনের সফরকারী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা সঞ্জয় ঝার সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বিজেপির সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, ব্রিজ লাল, প্রধান বড়ুয়া এবং হেমাঙ্গ জোশী। সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস, কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মোহন কুমারও ছিলেন এই দলে।
সঞ্জয় ঝার নেতৃত্বাধীন দলটি জাপান সহ এশিয়ার আরও চারটি দেশে যাবে—দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর। জাপান রওনা হওয়ার আগে সংবাদসংস্থা ‘এএনআই’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় ঝা বলেন, “সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নীতি। পুরো বিশ্বের কাছে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেওয়াই প্রতিনিধি দলের কাজ। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে মদত দেয়। আর রাষ্ট্রের মদতেই সেদেশে বেড়ে উঠছে সন্ত্রাসবাদ।”
সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাসও জানান, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ঐক্যবদ্ধ বার্তা দেওয়া হবে এই সফরের মাধ্যমে।



