জাতীয়

সবচেয়ে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে! আহমেদাবাদ বিমান বিপর্যয়ে বিমা সংস্থার ক্ষতির অঙ্ক কত?

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Ahmedabad Plane Crash : সবচেয়ে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে! আহমেদাবাদ বিমান বিপর্যয়ে বিমা সংস্থার ক্ষতির অঙ্ক কত? - West Bengal News 24

আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনাকে দেশের অন্যতম ভয়াবহ বিমান বিপর্যয় হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। শুধু প্রাণহানির দিক থেকেই নয়, আর্থিক ক্ষতির দিক থেকেও এই দুর্ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, জীবন বিমার ক্ষতিপূরণ বাবদ খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় “১২০০ কোটি টাকা”।

গত বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি’ ভেঙে পড়ে। ওই বিমানে মোট ‘২৪২ জন যাত্রী’ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে “১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডার নাগরিক” ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিমানটির ককপিটে থাকা পাইলট ও অন্যান্য ক্রু সদস্যসহ মোট *”১২ জন কর্মী”*ও ছিলেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় “২৪১ জন” প্রাণ হারিয়েছেন। দুর্ঘটনার পরে ‘টাটা বিমান সংস্থা’ মৃতদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। তবে পাশাপাশি “মনট্রিয়াল কনভেনশন, ১৯৯৯” অনুযায়ী আরও ‘১.৮ কোটি টাকা’ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যার বিধানে “২০০৯ সালে ভারত সই করেছিল”।

বিমার কাঠামো অনুযায়ী, “টাটা এআইজি বিমা সংস্থা” এই বিমার ‘৪০ শতাংশ’ কভার করছে। বাকি অংশটি ভাগ করে নিয়েছে ‘নিউ ইন্ডিয়া অ্যাসিউরেন্স, আইসিআইসিআই লম্বার্ড এবং একাধিক সরকারি বিমা সংস্থা’। সব মিলিয়ে বিমা ক্ষতিপূরণের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াতে পারে “১০০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকার” আশেপাশে। এই অঙ্কের মধ্যে থাকছে বিমানের ক্ষতি, যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য ক্ষতি। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত “একটি মেডিক্যাল কলেজ” পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতিও ইতিমধ্যেই দিয়েছে ‘টাটা গোষ্ঠী’।

“মনট্রিয়াল কনভেনশন” অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে বিমা সংস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তবে প্রাথমিকভাবে “১৮ লক্ষ টাকা” পর্যন্ত তাৎক্ষণিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক। যদি তদন্তে উঠে আসে যে, এই দুর্ঘটনার জন্য বিমান সংস্থার গাফিলতি দায়ী, তাহলে পরিবারগুলি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার রাখে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button