জাতীয়

“বাঁচতে চাই না”—স্ত্রীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে আবেদন স্বামীর

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

“বাঁচতে চাই না”—স্ত্রীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে আবেদন স্বামীর - West Bengal News 24

দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী’র অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করলেন এক যুবক। অভিযোগ, স্ত্রী প্রতিদিন অকারণে ঝগড়া করেন ও মারধর করেন। সেই অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতেই জীবন শেষ করার অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে।

আবেদনকারী যুবকের নাম সুমিত সোনি। জানা গিয়েছে, সোমবার জেলা শাসকের দফতরের বাইরে হাতে পোস্টার নিয়ে বসে পড়েন তিনি। পোস্টারে ছিল তাঁর স্ত্রীর ছবি এবং লেখা— ‘মাননীয়া রাষ্ট্রপতি মহোদয়া, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আমি আর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল একজন ব্যক্তি। আমার স্ত্রী পিঙ্কির নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আপনাদের কাছে আমার আবেদন, আমাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক।’

তাঁর দাবি, গত বছরের জুলাই মাসে কুকড়া গ্রামের বাসিন্দা পিঙ্কির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়। “বিয়ের দ্বিতীয় দিনই পিঙ্কি আমায় জানায়, তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে এই বিয়ে মানে না। বিয়ের একমাস পর থেকে ঝগড়া ও মারামারি চরম পর্যায়ে যায়। শুধু তাই নয়, বিয়ের সময় পিঙ্কির বয়স লুকিয়ে বিয়ে দেয় তার বাড়ির লোক। আমার বয়স ২৭ বছর অথচ ও ৩৫ বছর বয়সি। এই অশান্তি মারামারি থেকে মুক্তি পেতে আমি চাই সরকার আমায় স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিক।”

সুমিতের অভিযোগ, স্ত্রী শুধু তাঁকেই নয়, তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপরেও শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহ চালিয়েছেন। এমনকী এই কারণেই তাঁর বাবা তাঁকে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেন। স্ত্রী তাঁকে সেই সম্পত্তি আদায়ের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ।

তিনি আরও দাবি করেন, বিয়ের সময় বাবার কাছ থেকে পাওয়া ৮ লক্ষ টাকার মধ্যে ৫ লক্ষ খরচ হয় বিয়েতে, আর বাকি ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে পিঙ্কি ফিরে যান বাপের বাড়ি। সেখান থেকে তাঁকে ফিরিয়ে আনতে গেলে, সুমিতের উপর হামলা হয়। আদালতের দ্বারস্থ হলেও উলটে তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়— এমনই অভিযোগ এনেছেন ওই যুবক।

আরও পড়ুন ::

Back to top button